প্রতি বুথে ৫০ সক্রিয় কর্মী চাই, ৫১ শতাংশ ভোট চাই! ২৪-এর আগে লক্ষ্যে স্থির বিজেপি
প্রতি বুথে মোটরবাইক-সহ ৫০ জন সদস্যের তালিকা তৈরি করা হবে এই কর্মসূচির প্রাথমিক উদ্দেশ্য। মিসড কল দিয়ে সদস্য হতে হবে। ফোনে থাকতে হবে ‘নমো’ অ্যাপ।
বুথ সশক্তিকরণে নেমেছে বিজেপি। রবিবার দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে এই কর্মসূচি শুরুর পর রাজ্যজুড়ে প্রতি বুথে বুথে শক্তি বাড়ানোর অভিযান চলবে। সে জন্য বাইক ও স্মার্ট ফোন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রতি বুথে অন্তত ৫০ জন কর্মীকে সক্রিয় রাখতে হবে বলে জানানো হয়েছে রাজ্য বিজেপির তরফে।

বিজেপির বুথ সশক্তিকরণ অভিযানে লক্ষ্য
বিজেপির বুথ সশক্তিকরণ অভিযানের খসড়ায় দলের নির্দেশ প্রতি কর্মীর কাছে বাইক ও স্মার্ট ফোন থাকতে হবে। প্রতি বুথে ৫১ শতাংশ ভোট নিশ্চিত করাই হবে এই অভিযানের লক্ষ্য। 'সরল' অ্যাপের মাধ্যমে বিজেপি এই অভিযান পরিচালনা করবে। ৪২টি সাংগঠনিক জেলার বিভিন্ন মণ্ডল, শক্তিকেন্দ্র ও বুথের হিসাব থাকবে এই অ্যাপে।

প্রতি বুথে মোটরবাইক-সহ ৫০ জন সদস্যের তালিকা
প্রতি বুথে মোটরবাইক-সহ ৫০ জন সদস্যের তালিকা তৈরি করা হবে এই কর্মসূচির প্রাথমিক উদ্দেশ্য। মিসড কল দিয়ে সদস্য হতে হবে। ফোনে থাকতে হবে 'নমো' অ্যাপ। থাকছে এক গোপন সার্কুলারও। তা হল ভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের দলে অন্তর্ভুক্তি ঘটানো।

সংগঠনকে শক্তিশালী করার নানা নির্দেশিকা
এই বুথ কমিটি এলাকায় জনসংযোগ স্থাপন করবে। নিয়মিত মন্দির, মঠ ও আশ্রমের পুরোহিত ও পরিচালন সমিতির সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে। এই বুথ কমিটিকে প্রধানমন্ত্রীর মন কী বাত অনুষ্ঠান সম্প্রসারের জন্য সংগঠিত করতে হবে। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের তালিকা তৈরি করা-সহ সংগঠনকে শক্তিশালী করার নানা নির্দেশিকাও রয়েছে।

বুথকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই অভিযান
বুথের এই সশক্তিকরণ কর্মসূচিতে সাংগঠনিক নেতাদের পাশাপাশি নিজের নির্বাচনী এলাকায় দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে হবে বিধায়ক ও সাংসদদেরও। বঙ্গ বিজেপির তিন প্রধান মুখ সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী ও দিলীপ ঘোষ-রা ঝাঁপিয়ে পড়ছেন। পঞ্চায়েত ভোটের আগে প্রতি বুথকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই অভিযান বলে জানানো হয়েছে।

নিষ্ক্রিয় বুথ রয়েছে, সেখানে কমিটি গড়ে সক্রিয় করতে হবে
বাংলার বেশ কিছু বুথেই সক্রিয়তা কম বিজেপি। নিস্ক্রিয় বুথও রয়েছে বহু। তাই বিজেপি পরিকল্পনা করেছে, যে বুথে কম সক্রিয়তা সেখানে শক্তি বাড়াতে হবে। আর যেখানে নিষ্ক্রিয় বুথ রয়েছে, সেখানে কমিটি গড়তে হবে, সক্রিয় করতে হবে বুথগুলিকে।

২০২৪-এর জন্য পৃথক পরিকল্পনা নেওয়া হবে
লক্ষ্য অবশ্যই পুরনো কর্মীদের দলে ফেরানো। নিবিড় জনসংযোগ তৈরি করে পঞ্চায়েত ও লোকসভা ভোটের আগে গেরুয়া শিবির চাইছে বুথগুলির সাংগঠনিক অবস্থা বুঝে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে। বুথের শক্তি মেপে এগোতে চাইছে বিজেপি। সেই লক্ষ্যেই বঙ্গ বিজেপি নেমেছে নয়া অভিযানে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে পর্যন্ত নিরন্তর চলবে এই অভিযান। পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল দেখে ২০২৪-এর জন্য পৃথক পরিকল্পনা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে।












Click it and Unblock the Notifications