ভোটের দিন ভবানীপুরে ১৪৪ ধারা চায় বিজেপি, প্রচারে বিশৃঙ্খলায় তদ্বির কমিশনে
ভোটের দিন ভবানীপুরে ১৪৪ ধারা চায় বিজেপি, প্রচারে বিশৃঙ্খলায় তদ্বির কমিশনে
ভবানীপুরের উপনির্বাচনের শেষ দিনের প্রচারে বেলাগাম বিশৃঙ্খলায় ভোট স্থগিতের দাবি তুলেছিল বিজেপি। শেষে নির্বাচনে গিয়ে সেই দাবি থেকে বিরত হলেও ভোটের দিন ভবানীপুরে ১৪৪ ধারা চেয়ে নির্বাচন কমিশনে তদ্বির করল বিজেপি। বিজেপির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল সোমবার কমিশনে স্মারকলিপি দিয়ে এই দাবি করেন।

ভবানীপুরে সাংসদ দিলীপ ঘোষ ও অর্জুন সিংকে ভোট প্রচারে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। একাংশের প্রতিরোধে দিলীপ-অর্জুনরা প্রচার না করেই ফেরেন। এই ঘটনায় তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে ভোট স্থগিতের আবেদন জানানো হবে বলে জানান প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এরপর বিজেপির তিন সদস্যের প্রতিনিধিদল কলকাতায় নির্বাচন কমিশনে ডেপুটেশন দেয়।
বিজেপির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত, বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া ও প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনে ডেপুটেশন দিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে স্বপ্ন দাশগুপ্ত জানান, ৩০ সেপ্টেম্বর উপনির্বাচনের দিন ভবানীপুর কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি করতে হবে। কোনও বিশেষ রাস্তায় নয়, পুরো ভবানীপুরে আমরা ১৪৪ ধারা দাবি করছি।
ভবানীপুরে নির্বাচনী প্রচারে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যরা বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষের উপর হামলা করে বলে অভিযোগ। তাঁকে লাথি মারা হল এবং ধাক্কাধাক্কি করে এগোতে দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন দিলীপবাবু। তারপরই নির্বাচন কমিশনে তদ্বির করে ১৪৪ ধারার দাবি জানানো হয়। একইসঙ্গে বুথের ভিতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখার কথাও জানানো হয়।
বিজেপির প্রতিনিধি দল এদিন নির্বাচন কমিশনে গিয়ে দাবি জানায়, কলকাতা পুলিশকে ভবানীপুরে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া যাবে না। পরিবর্তে বুথরে ভিতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখতে হবে। সম্প্রতি, বিজেপি নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে অভিযোগ করেছে যে, তাঁদের ভবানীপুরের প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল কলকাতা পুলিশের সাউথ ডিসিপি শ্লীলতাহানির শিকার হয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনে পেশ করা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে- "আমাদের প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল, রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ ড. সুকান্ত মজুমদার, সাংসদ জ্যোতির্ময় সিংহ মাহাতো এবং অর্জুন সিংয়ের উপর হামলা করা হয় প্রচার চলাকালীন। তখনই আমাদের প্রার্থীর শ্লীলতাহানি হয় বলে অভিযোগ। আমরা চাই অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। শাসক দলের নির্বাচনের সময় অশান্তি সৃষ্টির অভিপ্রায় রয়েছে। আমাদের দাবি, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন করতে নির্বাচন কমিশন যা যা করণীয়, তাই করুক।












Click it and Unblock the Notifications