মাকড়ায় বিজেপির কেন্দ্রীয় দলকে ঢুকতে বাধা, গ্রেফতার নাকভি-সহ কেন্দ্রীয় ও রাজ্য প্রতিনিধিরা

চৌমণ্ডলপুর গ্রামে বিজেপির কেন্দ্রীয় দলকে ঢুকতে বাধা, গ্রেফতার কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা
পাড়ুই, ৩০ অক্টোবর : উত্তপ্ত মাকড়া পরিদর্শনে যাওয়ার সময় চৌমণ্ডল গ্রামে ঢোকার মুখে পুলিশের বাধা বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে। গ্রেফতার করা হল মুক্তার আব্বাস নাকভির নেতৃত্বে বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল সহ অন্যান্য বিজেপি নেতাদের। নাকভি ছাড়াও বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলে ছিলেন কীর্তি আজাদ, উদিত রাজ। ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি রাহুল সিনহা। পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তির পর বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের পুলিশ ভ্যানে তোলা হয়।

<blockquote class="twitter-tweet blockquote" lang="en"><p>BJP leaders Mukhtar Abbas Naqvi, Kirti Azad & others detained for defying prohibitory orders <a href="https://twitter.com/hashtag/FlashpointBengal?src=hash">#FlashpointBengal</a> <a href="http://t.co/TbE7Ly4u6Y">pic.twitter.com/TbE7Ly4u6Y</a></p>— TIMES NOW (@timesnow) <a href="https://twitter.com/timesnow/status/527725673008201730">October 30, 2014</a></blockquote> <script async src="//platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script>

পাড়ুই থেকে চার কিলোমিটার দূরে পুলিশের ব্যারিকেট ভেঙে এগোতে গেলেই রে রে করে তেড়ে আসে পুলিশ। মুক্তার আব্বাস নাকভির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় বিজেপি দল ও রাজ্য বিজেপি নেতাদের ঢুকতে বাধা পুলিশ। শুরু হয় ধ্বস্তাধ্বস্তি। পুলিশের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় কোনও অবস্থাতেই কোনও রাজনৈতিক দলকে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়। এর পরেও বিজেপি নেতারা ঢোকার চেষ্টা করলে তাদের আটক করা হয় ও পরে গ্রেফতার করা হয়। পাড়ুই থানায় নিয়ে যাওয়া হয়ে বিজেপি নেতাদের। সেখানে পরে জামিনের ভিত্তিতে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ মুক্তার আব্বাস নাকভি জানিয়েছেন, "রাজ্য সরকার আমাদের গ্রামে ঢোকা নিয়ে যে শক্তি প্রয়োগ করছে তার যদি সিকি ভাগও রাজ্যে অরাজকতা, জঙ্গী দমনের জন্য প্রয়োগ করত তাহলে পশ্চিমবঙ্গেরই উপকার হত। পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক । এবিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট আমরা দিল্লিতে জমা দেব।"

এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। রাহুল সিনহার কথায় এই ঘটনা অত্যন্ত অগণতান্ত্রিক। বীরভূমের আইনশৃঙ্খলা পদদলিত করেছে তৃণমূল। তাই চায় না কোনও রাজনৈতিক দল গ্রামে ঢুকে আসল দৃশ্যটা দেখুক। তাই এইভাবে আটকানো হল কেন্দ্রীয় দলকে। কেন্দ্রীয় ৩ প্রতিনিধি এবং রাজ্যের এক প্রতিনিধিকে ঢুকতে দেওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছিল পুলিশের কাছে। তাও মানা হয়নি। তবে এই ঘটনায় সারা দেশের কাছে তৃণমূলের ভাবমূর্তিটা পৌছে গেল। এই ঘটনা প্রমাণ করে দিল যে সিপিএমের জমানা শেষ হলেও তৃণমূলের আমলেও সন্ত্রাসের চিত্রটা একই রয়ে গিয়েছে।

এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামীকাল শুক্রবার রাজ্যজুড়ে ধিক্কার দিবস পালন করবে বিজেপি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+