বিলম্বিত বোধোদয়! বঙ্গ বিজেপিতে ভাঙন রুখতে ‘মানভঞ্জনে’র নিদান কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের
একুশের ভোটের পর বিজেপিতে ভাঙন ধরেছে। প্রতিদিনই নিচুস্তরের নেতা-কর্মীরা দলবদল করছেন। শীর্ষস্থানীয় নেতা-নেত্রীদের নিয়েও নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে মুকুল রায়ের ঘরওয়াপসির পর থেকে।
একুশের ভোটের পর বিজেপিতে ভাঙন ধরেছে। প্রতিদিনই নিচুস্তরের নেতা-কর্মীরা দলবদল করছেন। শীর্ষস্থানীয় নেতা-নেত্রীদের নিয়েও নানা গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে মুকুল রায়ের ঘরওয়াপসির পর থেকে। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি ঠেকে শিখল। ভোটে বিপর্যয়ের পর বোধোদয় বললেও অত্যুক্তি হয় না। দলে ভাঙন রুখতে সক্রিয় হল বিজেপি।

একজন না একজন নেতাকে নিয়ে জল্পনা
মুকুল রায়ের দলবদলের পর থেকে প্রতিদিনই একজন না একজন নেতাকে নিয়ে জল্পনার পারদ চড়ছিল। বিজেপির দলবদলু নেতাদের বেশিরভাগই তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য পা বাড়িয়ে রয়েছেন, অনেকে চিঠি লিখে আবেদন জানাচ্ছেন সরাসরি, অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা পোস্ট করে বিজেপির প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
Recommended Video

ভাঙন রুখতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নিদান বঙ্গ বিজেপিকে
এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে গেরুয়া শিবির ময়দানে নামল। দলের আদি নেতা-কর্মীরা যাতে দল ছেড়ে কোনওভাবেই না বেরিয়ে যায়, তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। নেতৃত্ব নির্দেশ দিল তৃণমূল থেকে আসা নেতাদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি অনুকূলে আনতে হবে। যাঁরা দলে কোণঠাসা হয়ে রয়েছেন, তাঁদের সক্রিয় করতে হবে।

বিজেপি নেতৃত্ব হাল ধরল ভাঙন রুখতে
বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর দেড় মাস অতিক্রান্ত। এতদিন পর বিজেপি নেতৃত্ব বোধ করল হাল ধরার প্রয়োজনীয়তা। এখনও হাল না ধরলে আরও বড় বিপর্যয় তৈরি হবে। ফলে দলে অখুশি নেতাদের সক্রিয় করে সংগঠনে কাজে লাগাতে হবে। সংগঠনকে পুনরায় সঙ্ঘবদ্ধ না করলে, ভবিষ্যতে হারিয়ে যাবেন তাঁরা।

জেলার নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠকে নিদান কেন্দ্রীয় নেতাদের
বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ভোট পরবর্তী হিংসায় প্রভাবিত বিভিন্ন জেলার নেতৃত্বকে নিয়ে বৈঠক করে। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিব প্রকাশ থেকে শুরু করে অরবিন্দ মেনন, অমিত মালব্যরা। রাজ্যের তরফে ছিলেন অমিতাভ চক্রবর্তী, প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, সঞ্জয় সিংয়ের মতো নেতারা।

পুরনো কর্মীদের ঘরে ফেরাতে হবে অন্তর্দ্বন্দ্ব ভুলে
এই বৈঠকেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, আদি-নব্য সংঘাত তৈরি করা যাবে না। অভিমানী নেতা-কর্মীদের কাছে টানতে হবে। পুরনো কর্মীদের ঘরে ফেরাতে হবে। কোথাও কোথায় নব্যদের বেশি গুরুত্ব দেওয়ায় আদিরা সক্রিয়ভাবে কাজ করেননি। সেই অন্তর্দ্বন্দ্ব থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications