বিজেপি কাদের দলে নেবে! মুকুলকে অস্বস্তিতে ফেলে চিন্তন বৈঠকে চূড়ান্ত হল সিদ্ধান্ত
লোকসভা ভোটে তৃণমূল বিপর্যয়ের মুখে পড়তেই দলে ভাঙন ধরাতে শুরু করেছিল বিজেপি। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়ার হিড়িক পড়ে গিয়েছিল।
লোকসভা ভোটে তৃণমূল বিপর্যয়ের মুখে পড়তেই দলে ভাঙন ধরাতে শুরু করেছিল বিজেপি। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়ার হিড়িক পড়ে গিয়েছিল। মুকুল রায়-কৈলাশ বিজয়বর্গীয়রা ঘোষণা করেছিলেন, লোকসভা ভোটের মতো সাত দফায় তৃণমূলে ভাঙন ধরাবেন তাঁরা। কিন্তু বেনোজল ঢোকা রদ করতে বিজেপি নিল কড়া সিদ্ধান্ত।

তৃণমূলী ‘অনুপ্রবেশ’ রুখতে
মুকুলের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা মনিরুল ইসলাম-সহ একাধিক নেতা। তারপর থেকেই বিতর্ক শুরু হয় বিজেপিতে। তীব্র অসন্তোষ দানা বাঁধে বিভিন্ন দল থেকে আসা নেতা-নেত্রীদের নিয়ে। এরপরই বিজেপিতে তৃণমূলী ‘অনুপ্রবেশ' রুখতে লাগাম টানে বিজেপি।

চালুনি দিয়ে চেলে তবেই
দুর্গাপুরে বিজেপির চিন্তন শিবিরে সিদ্ধান্ত হয়, এবার আর সমস্ত নেতা-নেত্রীদের দলে নেওয়া যাবে না। রীতিমতো চালুনি দিয়ে চেলে তবেই বিজেপি অন্য দলের নেতা-নেত্রীদের দলে স্থান দেবে। এই মর্মে নির্দিষ্ট কয়েকটি নির্দেশিকাও জারি হয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েচে মণ্ডল, জেলা ও রাজ্যস্তরের বিশেষ কমিটি তৈরি হবে। তাঁরাই যাচাই করে নেবেন দলত্যাগীদের।

চিন্তন বৈঠকে সিদ্ধান্ত
চিন্তন বৈঠকে সুনীল দেওধর থেকে শুরু করে শিবপ্রকাশ, অরবিন্দ মেনন-সহ কেন্দ্রীয় স্তরের অনেক নেতা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা মূলত সংগঠনের উপর জোর দেন। সেইসঙ্গে সাবধান করেন, সংগঠন বাড়ানোর অর্থ দল ভাঙানো নয়। অন্য পার্টির সেই সমস্ত নেতাদেরই বিজেপিতে স্থান দেওয়া হবে, যাঁদের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল।
[কর্ণাটকে ভয়াবহ বন্যা, বিপর্যস্ত জনজীবন, দেখুন দুর্দশার জলছবি]












Click it and Unblock the Notifications