বিজেপির সদর দফতরের ঠিকানা বদলে যাচ্ছে ২৪-এর আগে! নেপথ্যে রয়েছে যে কারণ
২০২১-এর নির্বাচনের আগে ঠিক এমনই চর্চা শুরু হয়েছিল। বিজেপি বদল করতে চলেছে রাজ্য সদর দফতর। উত্তর কলকাতার ৬ মুরলিধর সেন লেনের সেই কার্যালয় এবার স্থানান্তরিত হচ্ছে। কিন্তু রাজ্য সদর দফতর এখনও সেই জায়গাতেই রয়ে গিয়েছে।
২০২১-এর নির্বাচনের আগে ঠিক এমনই চর্চা শুরু হয়েছিল। বিজেপি বদল করতে চলেছে রাজ্য সদর দফতর। উত্তর কলকাতার ৬ মুরলিধর সেন লেনের সেই কার্যালয় এবার স্থানান্তরিত হচ্ছে। কিন্তু রাজ্য সদর দফতর এখনও সেই জায়গাতেই রয়ে গিয়েছে। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের সেই চর্চা শুরু হয়েছে যে, বিজেপির সদর দফতরের ঠিকানা বদল হতে পারে।

বিজেপি একুশের নির্বাচনের আগে উত্তর কলকাতার ৬ মুরলিধর সেন লেনের সদর দফতরের পাশাপাশি আর একটি অফিস করেছিল। হেস্টিংসে হয়েছিল বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়। বর্তমানে এই দুই অফিসই চালু রয়েছে। উত্তর কলকাতার ৬ মুরলিধর সেন লেন থেকে রাজ্য দফতরের কাজকর্ম চালানো হয়। আর হেস্টিংস থেকে চালানো হয় নির্বাচনী কার্যক্রম।
এখন রাজ্য সদর দফতরের ঠিকানা বদল হওয়া প্রায় চূড়ান্ত বলে বিশেষ সূত্রের খবর। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগেই বদলে যেতে পারে বিজেপির অফিসের ঠিকানা। উত্তর কলকাতার ৬ মুরলিধর সেন লেনের অফিস বদলে যেতে পারে এবার। ঠিকানা বদলে বিজেপির সদর কার্যালয় চলে যেতে পারে নিউ টাউনে।
নিউটাউনে যে বিজেপির নতুন সদর দফতর হবে, তা শোনা গিয়েছল ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে। কিন্তু তখন তা বদল করা হয়নি। ঘিঞ্জি উত্তর কলকাতার ৬ মুরলিধর সেন লেনেই রয়ে গিয়েছিল বিজেপি। কিন্তু এবার ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনের আগে নতুন অফিস উদ্বোধন হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকছে।
২০২৪-এর নির্বাচনের আগে বিজেপি নতুন অফিসে উঠে যেতে পারে। ৬ নম্বর মুরলিধর সেনের অফিসে থেকে বিজেপির শুধু হারই জুটেছে। ২০১৯-এর লোকসভা ভোট ছাড়া তেমন কোনও সাফল্য ধরা দেয়নি বিজেপির। এবার তাই অফিস বদল করে একবার ভাগ্য পরিবর্তনও ঘটাতে চাইছে। তবে ভাগ্য পরিবর্তন নেহাত গৌণ, আসল লক্ষ্য পুরনো মুরলিধর সেন লেনের অফিস থেকে কর্পোরেট কালাচারের অফিস থেকে দল পরিচালনা করা।
সম্প্রতি বিজেপি নতুন অফিস খোঁজা শুরু করে দিয়েছে। নতুন ঠিকানার খোঁজ চলছে। কিন্তু প্রশ্ন একটাই, নিউটাউনকে কেন বেছে নেওয়া হল। অন্য জায়গায় কেন নয়? রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিজেপির রাজ্য নেতাদের প্রত্যেকেরই ঠিকানা এখন নিউটাউন। সে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার হোন বা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা বর্তমান কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ- সবাই থাকেন নিউটাউনে। সেক্ষেত্রে নিউটাউনে সদর দফতর হলে সুবিধা হবে রাজ্যের নেতাদের। আবার নতুন যিন সর্বসময়ের পর্যবেক্ষক হয়ে এসেছেন বাংলায় তাঁর ঠিকানাও নিউটাউন। এই অবস্থায় বিজেপি চাইছ দল বড় হচ্ছে, তাই রাজ্য দফতরও বড় হওয়ার প্রয়োজন। সেই লক্ষ্য নিয়েই বিজেপি ২০২৪-এর আগে দফতরের ঠিকানা বদল করতে চাইছে।












Click it and Unblock the Notifications