আগামী লোকসভা ভোটে বাংলায় দিলীপ-মুকুলরা কি পারবেন তৃণমূলকে টেক্কা দিতে! কী বলছে সমীক্ষা
২০১৪ লোকসভা ভোটের সময় থেকেই সারা দেশে মোদী ঝড় শুরু হয়েছে। বাংলায় ঝড় না বইলেও মোদী হাওয়া অবশ্যই বয়েছে। যার সুফল তুলে ০ থেকে ২টি আসনে পৌঁছয় বিজেপি।
২০১৪ লোকসভা ভোটের সময় থেকেই সারা দেশে মোদী ঝড় শুরু হয়েছে। বাংলায় ঝড় না বইলেও মোদী হাওয়া অবশ্যই বয়েছে। যার সুফল তুলে ১ থেকে ২টি আসনে পৌঁছয় বিজেপি। আসানসোলে ও দার্জিলিংয়ে বিজেপি লোকসভা আসন জেতে। একলাফে ১৭ শতাংশে পৌঁছে যায় ভোট শেয়ার। তারপর থেকে যতগুলি নির্বাচন গিয়েছে তাতে বিজেপির শক্তিবৃদ্ধি হয়েছে। দিলীপ ঘোষের দল রাজ্যের নানা প্রান্তে শক্তিবৃদ্ধি করেছে। ক্রমশ শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছে।

এগোচ্ছে বিজেপি
বিধানসভা ভোটের পরে রাজ্যের নানা প্রান্তে পুর নির্বাচন হয়েছে। বিধানসভা ও লোকসভার উপনির্বাচন হয়েছে। এমনকী সদ্য সমাপ্ত পঞ্চায়েত নির্বাচনও হয়েছে। সেখানেও বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেস বাদে অন্য দলগুলির তুলনায় ভালো ফলাফল করেছে। কংগ্রেসও বাম দলগুলিকে রীতিমতো পিছনে ফেলে দিয়েছে।

তবে তৃণমূলকে ধরতে পারেনি
তবে বিজেপি আগামী লোকসভা ভোটে তৃণমূলকে প্রতিযোগিতা দেওয়ার মতো জায়গায় এখনও পৌঁছতে পারেনি। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্যই ভাবিত বিজেপির বাড়বাড়ন্ত দেখে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারেবারেই আকারে-ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যে ও কেন্দ্রে বিজেপির বিরুদ্ধেই লড়তে চলেছেন তাঁরা।

বেড়েছে ভোট শেয়ার
ভোট শতাংশের দিক থেকে দেখলে গত কয়েকবছরে বিজেপির উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি হয়েছে। চার বছর আগের ১৭ শতাংশ ভোট শেয়ার থেকে বেড়ে ২৪ শতাংশে বিজেপি পৌঁছে গিয়েছে। তবে তৃণমূলের ঘরে ভাঙন ধরাতে পারেনি গেরুয়া শিবির। মূলত বাম-কংগ্রেসের ঘরেই থাবা বসিয়েছে। ভোট থেকে শুরু করে সমর্থন সমস্তটাই এই দুই দলকে ভেঙে বিজেপির ঘরে এসেছে।

সংগঠন বেড়েছে
যদিও বিজেপির জন্য সুখের খবর, দিলীপ ঘোষ ও মুকুল রায়ের নেতৃত্বে আগের চেয়ে জেলায় জেলায় বিজেপির সংগঠন বেড়েছে। উত্তর থেকে দক্ষিণ বঙ্গে সভা করলে বিজেপির নেতা-কর্মীরা ভিড় জমাচ্ছেন। তা সত্ত্বেও আপাতত বিজেপিকে সেকেন্ড বয় হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। এমনটাই উঠে আসছে সাম্প্রতিক সমীক্ষায়।












Click it and Unblock the Notifications