বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব! বিজেপি নেত্রী দেবশ্রী চৌধুরীর রাজনৈতিক সফর একনজরে
৪৮ বছরে মধ্যে প্রায় ৩০ বছরের রাজনৈতিক জীবন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে এদিন শপথ নিলেন রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী।
৪৮ বছর বয়স। তার মধ্যে প্রায় ৩০ বছরের রাজনৈতিক জীবন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে এদিন শপথ নিলেন রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী। জেতার পরেই জেলায় রেল সংযোগের উন্নতিতে কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি রায়গঞ্জ থাকা উত্তরবঙ্গের উন্নতিতে কাজ করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন এই বিজেপি নেত্রী।

রায়গঞ্জে লড়াই
রায়গঞ্জে ২০১৯-এর লড়াই রীতিমতো কঠিন ছিল দেবশ্রী চৌধুরীর কাছে। ২০১৪-র সিপিএম সাংসদ মহঃ সেলিমের পাশাপাশি লড়াইয়ে ছিলেন দীপা দাশমুন্সি। লড়াইয়ে ছিলেন তৃণমূলের কানাইয়ালাল আগরওয়ালও। তাঁদের সঙ্গে লড়ে জয় ছিনিয়ে এনেছেন দেবশ্রী।

২০১৪-তেও লোকসভায় লড়াই
২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রাক্তনী। সেবার কেন্দ্র ছিল বর্ধমান দুর্গাপুর আসন।২০০৬ সালে বালুরঘাট থেকে বিধানসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৬০০০ ভোটে পরাজিত হন।

রাজনৈতিক জীবন
বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদ থেকে রাহুল সিনহার চলে যাওয়ার সময়ে এবং দিলীপ ঘোষের দায়িত্ব নেওয়ার আগে তাঁর নামও রাজ্য সভাপতির পদে বিবেচনায় উঠে এসেছিল আরএসএস ঘনিষ্ঠ দেবশ্রী চৌধুরীর নাম। ২০১৬-র ডিসেম্বরে মৌলনা নূর রহমান বরকতির মন্তব্যের জেরে বৈষ্ণবনগরের বিধায়কের
সঙ্গে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। আর এবারের তাঁর সমর্থনে নির্বাচনী প্রচারে এসে অমিত শাহ আগেই জানিয়ে রেখেছিলেন জিতলে মন্ত্রী করা হবে তাঁকে।
১৯৭১ সালের ৩১ জানুয়ারি জন্ম দেবশ্রীর। চার ভাইবোনের সব থেকে ছোট। বাবা দেবীদাস চৌধুরী ছিলেন অবিভক্ত দিনাজপুরের আরএসএস-এর শাখা বিস্তারক। দেবশ্রীর পড়াশোনা শুরু বালুরঘাট খাদিমপুর হাইস্কুলে। সেখান থেকেই মাধ্যমিক পাশ। এরপর খাদিমপুর গার্লস হাইস্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক। বালুরঘাট কলেজে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা। সেখানে তিনিই প্রথম এবিভিপির ইউনিট খোলেন। ছাত্র সংসদ নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১৯৯৩ সালে দুই দাদার সঙ্গে কলকাতায় চলে যান। ১৯৯৬ সালে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর হন।












Click it and Unblock the Notifications