গুরুংকে মাত দিয়ে পাহাড়-তখতে বিনয়, বোধনের দিন থেকেই স্বাভাবিক ছন্দে দার্জিলিং
এবার পুজোয় দার্জিলিংয়ে পর্যটকদের আনাগোনা না থাকলেও, বনধ পরিস্থিতি কাটিয়ে মঙ্গলবার অনেকটাই স্বাভাবিক ছন্দ ফিরে এল পাহাড়ে।
এবার পুজোয় দার্জিলিংয়ে পর্যটকদের আনাগোনা না থাকলেও, বনধ পরিস্থিতি কাটিয়ে মঙ্গলবার অনেকটাই স্বাভাবিক ছন্দ ফিরে এল পাহাড়ে। সুর নরম গুরুংপন্থীদেরও। পাহাড়ে তাই ইন্টারনেট পরিষেবা উপর থেকে নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহার করে নেওয়া হল। ব্যাঙ্কের কাজকর্মও স্বাভাবিক হতে শুরু করল এদিন থেকে। এদিন বেশ কিছু দোকান-বাজারও খুলতে দেখা গিয়েছে। স্বস্তি ফিরেছে পাহাড়বাসীদের মনেও।

রাজ্য প্রশাসনের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল ষষ্ঠীর দিন থেকেই পাহাড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা ফেরানো হবে। তার আগে সোমবার থেকে ভানুভক্ত ভবনে পাহাড় উন্নয়ন পর্ষদের কাজকর্ম শুরু হয়েছে। সেখানে বসতে শুরু করেছেন বিনয় তামাং, অনীত থাপা-রা। বাইরে অতন্দ্র প্রহরায় পুলিশ প্রশাসন।
অশান্তি এড়াতে রাজ্য প্রশাসনের তরফে সমস্তরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাহাড়ের প্রশাসন সচল হতেই দোকান-বাজারগুলিতেও ভিড় জমতে শুরু করেছে। দার্জলিংয়ের চকবাজারে বাঁধা দোকানের সঙ্গে অনেকে অস্থায়ী বাজার নিয়েও বসেন। আর এসব দেখে পাহাড় বনধ তুলে নেওয়ার বার্তাও দিয়েছেন গুরুংপন্থীরা। তাঁদের দাবি, কেন্দ্র আলোচনার জন্য ডাকলেই পাহাড় বনধ তুলে নেওয়ার কথা ঘোষণা করা হবে।
পাহাড়ের প্রশাসনিক ও উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিয়েই বিনয় তামাং জানিয়ে দেন, তিনি দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন চালাতে বদ্ধপরিকর। সেইসঙ্গে তিনি বলেন, গায়ের জোরে আমরা দোকানপাট খুলতে চাই না। মানুষ নিজে থেকেই বুঝতে পারবেন, পাহাড়ে স্বাভাবিক অবস্থা ফেরানো কতটা জরুরি। বিবেক থেকে মানুষ বনধ তুলে নেওয়ার ডাক পাবেন। তাতেই পাহাড়ের পরিস্থিতি প্রকৃত সুস্থ ও স্বাভাবিক হয়ে উঠবে।
এদিন দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক জয়শী দাশগুপ্ত জানান, পাহাড়ের পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক স্বাভাবিক হয়েছে। সোমবার থেকে দায়িত্ব নিয়েছে নতুন বোর্ড। তাই আমরা ইন্টারনেট পরিষেবার উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছি। কাজক্রম ফের স্বাভাবিক ছন্দে শুরু হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications