Buddhadeb Bhattacharjee:'খবরটা শুনে উঠে দাঁড়াতে পারিনি বেশ কিছুক্ষণ' আবেগপ্রবণ বিমান বসু
বাম জমানার একটি অধ্যায়ের অবসান। প্রয়াত বাম জমানার শেষ মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। খবরটা শুনে থমকে গিয়েছিলেন। প্রথমে বেশ কিছুক্ষণ উঠে দাঁড়াতে পারেননি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও ভাল করে কথা বলতে পারছিলেন না বিমান বসু।রাজনৈতিক জীবনের সঙ্গী ছিলেন তিনি।
রাজনৈতিক সতীর্থ বললে ভুল হবে না তাঁকে। বামপন্থী আদর্শে দিক্ষিত হওয়ার পর থেকে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের মুজফফর আহমেদ ভবনই ছিল তাঁর ঠিকানা। দীর্ঘদিন বুদ্ধবাবুকে কাছ থেকে দেখেছেন। একাধিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের সাক্ষী থেকেছেন তিনি। তাঁর পরিবারের সঙ্গেও গভীর যোগাযোগ ছিল।

সরকারে থাকাকালীনও একাধিক রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে পাশে ছিলেন বুদ্ধবাবুর। বাংলার বাম শাসনে একাধিক পরিবর্তন এনেছিলেন তিনি। জ্যোতি বসুর মন্ত্রিসভায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব সামলেছিলেন বুদ্ধবাবু। স্বরাষ্ট্র দফতর, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি। জ্যোতি বসু অসুস্থ হয়ে যাওয়ার পর উপ মুখ্যমন্ত্রী পদেও ছিলেন তিনি।
অসুস্থ রয়েছেন বুদ্ধবাবু জানতেন সকলেই। কালের নিয়মে যে তাঁকেও চলে যেতে হবে সেটাও অবচেতনে মনে ছিল। কিন্তু বাস্তবটা মেনে নিতে কষ্ট হয়। একে একে আলিমুদ্দিনের অনেক নেতাই চলে গিয়েছেন। অনিল বিশ্বাস, জ্যোতি বসু, নিরুপম সেন, শ্যামল চক্রবর্তীরা। বুদ্ধবাবুরও সময় এগিয়ে আসছে সেটা জানতেন সকলেই। কিন্তু মানতে চাইতেন না কেউ। বিবান বসুও সেই কথাই বারবার মনে করছেন। রাজনৈতিক সতীর্থদের একে একে চলে যাওয়া এক একটা বড় ধাক্কার মতো এসেছে তাঁর কাছে।
শুধু বিমান বসু কেন বুদ্ধবাবুর প্রয়াণ মেনে নিতে পারেননি রবিন দেবও। হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েই অশক্ত শরীরেই পৌঁছে গিয়েছিলেন পাম অ্যাভিনিউ-র বাড়িতে। গাড়ি থেকে নেমে এক প্রকার টলতে টলতে তিনি ঢুকে পড়েন বুদ্ধবাবুর ঘরে। অশক্ত শরীর নিয়েই রাজনৈতিক সতীর্থকে শেষবার দেখে এলেন তিনি।
বুদ্ধবাবু সরকারের অংশ হয়ে শেষ দিন পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছেন। তাঁর একের পর এক বাংলা বদলের সিদ্ধান্তে পাশে থেকেছিলেন। বাংলাকে নতুন ভাবধারায় সাজাতে চেয়েছিলেন বুদ্ধবাবু। তাঁর ভিশন ছিল বাংলাকে শিল্পবান্ধব করে গড়ে তোলা। স্লোগান তুলেছিলেন কৃষি আমাদের ভিত্তি, শিল্প আমাদের ভবিষ্যৎ।
স্বচ্ছ সৎ ভাবমূর্তি আজও অস্বীকার করতে পারেনি তাবর বিরোধীরা। শত বিরোধিতা সত্ত্বেও তাঁর অসুস্থতার খবর পেয়ে বারবার খোঁজ নিতেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রয়াণের খবর পেয়ে আজও পাম অ্যাভিনিউ-র বাড়িতে ছুটে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাম নেতৃত্বের কাছে তিনি গানস্যালুটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে বিদায় জানাতে চেয়ে অনুমতি চেয়েছেন।
-
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
বসন্তের শেষে বাড়ছে পারদ! গরমে কী নাজেহাল হবে শহরবাসী? কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস? জানুন -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ












Click it and Unblock the Notifications