হুবহু গুরুংয়ের কণ্ঠ! মোর্চা নেতাদেরই প্রচ্ছন্ন হুমকি অডিও ক্লিপিংয়ে
২৯ আগস্টের সর্বদল বৈঠক নিয়ে যখন পাহাড়বাসী স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে, তখনই পাহাড়ের আকাশ কালো করে অশনি সংকেত বয়ে আনল একটি অডিও ক্লিপিং।
আশায় বুক বেঁধেছে পাহাড়। এবার বুঝি সমস্যার বেড়াজাল থেকে মুক্তি মিলবে। পাহাড় আবার হাসবে। আগামী ২৯ আগস্টের সর্বদল বৈঠক নিয়ে যখন পাহাড়বাসী স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে, তখনই পাহাড়ের আকাশ কালো করে অশনি সংকেত বয়ে আনল একটি অডিও ক্লিপিং।
হুবহু বিমল গুরুংয়ের কণ্ঠ শোনা যাচ্ছে ওই ক্লিপিংয়ে। তিনি প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়েছেন ওই অডি বার্তায়। জানিয়েছেন, 'আমার অনুপস্থিতিতে পাহাড়ের আন্দোলনকে অন্যপথে চালিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে কেউ কেউ। তাদের রেয়াত করা হবে না কোনওমতেই। পাহাড়ের নির্দিষ্ট দাবি থেকে সরে এসেছে মোর্চার কোনও কোনও নেতা। তারা কারও প্ররোচনায় পা দিয়েই পাহাড়কে অন্যপথে পরিচালিত করছে। পাহাড়ের সঙ্গে এই বিশ্বাসঘাতকতা কিছুতেই বরদাস্ত করা হবে না।'

তিনি এমনও হুমকি দিয়েছেন, 'আমার অজান্তে অনেকে অনেক কিছু করে চলেছে। দার্জিলিং ও কার্শিয়াংয়ের কিছু নেতা এই কাজে লিপ্ত। এরপর যদি ২৯ আগস্ট নবান্নের বৈঠকে গোর্খাল্যান্ডের নিয়ে আলোচনার বাইরে অন্য কিছু হয়, তাহলে ওইসব নেতাদের ছেড়ে কথা বলা হবে না।' এমনকী তাদের পাহাড় ছাড়া করার প্রচ্ছন্ন হুমকিও দেওয়া হয়েছে অডিও ক্লিপিংয়ে।
ওই অডিও ক্লিপিংয়ে দাবি জানানো হয়েছে, 'তাঁর অবর্তমানে দলের প্যাড ও সিলমোহর ব্যবহার করে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লেখা হয়েছে।' অর্থাৎ এই অডিও ক্লিপিং যদি সত্যিই বিমল গুরুংয়ের কণ্ঠ হয়, বিমল গুরুং যে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লেখেননি তা স্পষ্ট। একথাও স্পষ্ট যে বিমল গুরুংকে বেকায়দায় ফেলতেই পাহাড়ে আলোর রেখা দেখা গিয়েছে।
রাজ্য বিমল গুরুংয়ের প্রতি আদৌ নমনীয় নন, কিন্তু মোর্চাকে আহ্বান জানিয়েছে নবান্নের বৈঠকে। এমতাবস্থায় মোর্চার বিভাজন ঘটানোর একটা চেষ্টা ছিল রাজ্য সরকার ও প্রশাসনের। আর এই ক্লিপিং বিমল গুরুংয়ের হলে সেই বিভাজন সত্য বলেই প্রতিপন্ন হবে। পাহাড়ের অন্যদলগুলিও মনে করছে, পাহাড়ে মোর্চার ভাঙন অসম্ভব নয়।












Click it and Unblock the Notifications