গুরুংকে ডাকা হল না পাহাড়-বৈঠকে, বিজেপিকে ছেড়ে তৃণমূল-যোগেই কি ব্রাত্য মোর্চা

পাহাড় সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে হঠাৎ উদ্যোগী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই মর্মে তিনি পুজোর মধ্যেই নয়াদিল্লিতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক ডেকেছেন।

পাহাড় সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে হঠাৎ উদ্যোগী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই মর্মে তিনি পুজোর মধ্যেই নয়াদিল্লিতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক ডেকেছেন। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণভাবে সেই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি গোর্খা জনমুক্তি মোর্চাকে। আবার রাজ্যকে আগাম অবহিত না করেই এই বৈঠক ডাকা হয়েছে বলে অভিযোগও উঠেছে।

গুরুংকে ডাকা হল না পাহাড়-বৈঠকে, তৃণমূল-যোগে ব্রাত্য মোর্চা

১২ অক্টোবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পৌরহিত্যে নয়াদিল্লিতে পাহাড় সমস্যা সমাধানে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা রাজ্য সরকার ও পাহাড়ের প্রতিনিধিদের। এই পাহাড় প্রতিনিধি দলের মধ্যে অন্যদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও ডাকা হয়নি মোর্চা নেতৃত্বের কাউকে। বিমল গুরুংকে ছাড়াই এই বৈঠক করতে চাইছে কেন্র্হ।

শনিবার শিলিগুড়িতে গিয়ে দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১২ অক্টোবর বিকেল চারটেয় এই বৈঠকের আহ্বান করেছেন। এই বৈঠকে রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিরা ও গোর্খা প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। এই বৈঠক জিটিএ-র জন্য নয়। এই বৈঠকে তাঁদেরই ডাকা হয়েছে, যাঁরা সংবিধানের প্রতি আস্থাশীল।

বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত জানান, কংগ্রেস ও সিপিএমের আমলে বহু জটিল বিষয় সমাধানের পরিবর্তনে ধামাচাপা দেওয়া হয়েছিল। সেইসব বিষয় একে একে সমাধান করার চেষ্টা করছে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। তার মধ্যে অন্যতম গোর্খাদের সমস্যা। পাহাড় তথা দার্জিলিংবাসীর জন্য এটা একটা বড় ব্যাপার।

রাজ্য সরকারের প্রতিনিধি এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবে বলে বিজেপি সাংসদ দাবি করলেও শিলিগুড়ির পুর প্রশাসক তথা প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী গৌতম দেব এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ। তিনি বলেন, এর আগে অনেকবার বিজেপি সরকার বহু কথা বলেছে, বহু প্রতিশ্রুতি দিয়েছে পাহাড় সমস্যা সমাধানের জন্য। ওদের কথার কোনও মূল্য নেই। কারণ ওরা কোনও কথা রাখেনি।

গৌতম দেবের কথায়, পাহাড় উন্নয়নে কোনও প্যাকেজই দেয়নি কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্যো্নপাধ্যায়ের ঐকান্তিক চেষ্টায় পাহাড়ে শান্তি ফিরেছে। পাহাড় নিয়ে ত্রিপাক্ষিক চুক্তিতে রাজ্য সরকারেই মূল অংশগ্রহণকারী। পুজোর মধ্যে কারা কীভাবে বৈঠক করছে, কাকে ডাকছে, তা নিয়ে কোনও ধারণা নেই। রাজ্য সরকারকে না জানিয়েই এই বৈঠক বা কোনো পদক্ষেপ করা সঠিক উপায় নয়। এতে প্রমাণিত কেন্দ্রীয় সরকার কোনও নিয়ম-নীতি মানছে না।

কেন্দ্র জানিয়েছে, এই বৈঠকে কোনও গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রতিনিধি থাকবে না। অর্থাৎ বিমল গুরুংকে ছাড়াই নেই বৈঠক করতে চাইছে কেন্দ্র। কেন বিমল গুরুংকে ছাড়া এই বৈঠক, তা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যায়। কারণ বিমল গুরুংয়ের মোর্চাই পাহাড়ের প্রধান দল। তাঁদের সঙ্গে জোট করেই বিজেপি লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিল একাধিকবার। এখন বিমল গুরুং বিজেপির সংসর্গ ছেড়ে তৃণমূলের সঙ্গে তাকাতচেই কি তিনি ব্রাত্য? এ প্রশ্ন কিন্তু রয়েই যায়!

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+