রাজ্য পুলিশে ভরসা নয়, প্রত্যেক বুথে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী! ভবানীপুরের জন্যে বিশেষ পর্যবেক্ষক নির্বাচন কমিশনের
উপনির্বাচনকে ঘিরেও অশান্তির কালো মেঘ! ইতিমধ্যে রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছে ১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। উপনির্বাচনেও কেন্দ্রীয় বাহিনী আসা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। কার্যত তৃণমূলের সেই দাবি উড়িয়ে নিরাপত্তা নিয়ে
উপনির্বাচনকে ঘিরেও অশান্তির কালো মেঘ! ইতিমধ্যে রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছে ১৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। উপনির্বাচনেও কেন্দ্রীয় বাহিনী আসা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল তৃণমূল। কার্যত তৃণমূলের সেই দাবি উড়িয়ে নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের।

ভবানীপুর-সহ রাজ্যের তিনটি আসনের ভোটগ্রহণে বুথের দায়িত্বে থাকছে না কোনও রাজ্য পুলিশ। বুথ সামলাবেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাই। আর সে জন্যে আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আসা হচ্ছে বলে খবর।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, বিধানসভা নির্বাচন চলাকালীন রাজ্যে প্রায় এক হাজার কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। কড়া নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়। কিন্তু এরপরেও অহু জায়গাতে অশান্তির খবর সামনে আসে। এমনকি ভোট চলাকালীন রক্তপাতের ঘটনা পর্যন্ত ঘটে।
আর সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে এবার উপনির্বাচন করাতে চায় কমিশন। উল্লেখ্য, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভোট রয়েছে হাইভোল্টেজ ভবানীপুর, সামসেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে।
এই তিন কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী ইতিমধ্যে পৌঁছে গিয়েছে। শুরু হয়েছে রুটমার্চও। ভবানীপুর সহ রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রেই পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে সমস্ত বুথে যেহেতু কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সেই কারনে আরও বাহিনী আসছে রাজ্যে।
জানা গিয়েছে, মোট ৫২ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবানীপুরের ২৮৮টি বুথ রয়েছে। আর এই সমস্ত বুথেই মোতায়েন করা থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। আর সেই কারনে এই কেন্দ্রে ১৫ কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে। জঙ্গিপুরের ৩৬৩টি বুথের জন্য ১৮ কোম্পানি এবং শমসেরগঞ্জের ৩২৯টি বুথের জন্য ১৯ কোম্পানি বাহিনী আসবে।
শুধু কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, যে কোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। আর সেই কারনে ইতিমধ্যে পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। দু'জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। তিন কেন্দ্রের জন্যে এই নিয়োগ করা হয়েছে। তবে ভবানীপুর কেন্দ্রকে বাড়তি নজর দিচ্ছে কেন্দ্র। আর সেই কারনে ভবানীপুরের জন্যে একজন বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটপে উপনির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তৃণমূলের। তাঁদের দাবি, গত বিধানসভা নির্বাচনেও ব্যাপক ভাবে বাহিনী মোতায়েন করেও কোনও লাভ হয়নি। গো-হারা হেরেছে বিজেপি। উলটে বাহিনীর কারনে রাজ্যে রক্তপাত পর্যন্ত হয়েছে। বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোট লুঠের পরিকল্পনা করছে বিজেপি।
অভিযোগ তৃণমূলের। যদিও এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে বিজেপি। তাঁদের পাল্টা দাবি, বাংলাতে ভোট মানেই রক্তপাত। সেই বিষয়ে অভিজ্ঞতা রয়েছে কমিশনেরও। আর সেজন্যেই এই সিদ্ধান্ত বলে দাবি নির্বাচন কমিশনের।












Click it and Unblock the Notifications