রণক্ষেত্র বাসন্তী হাইওয়ে, গাছের গুড়ি ফেলে একাধিক জায়গা অবরুদ্ধ! ভাঙড়ে পুলিশের গাড়ি বাইকে আগুন
Bhangor Unrest: প্রায় দফায় দফায় বিক্ষোভে উত্তাল ভাঙর সহ সংলগ্ন একাধিক এলাকা। আজ সোমবার শিয়ালদহ রামলীলা ময়দানে ওয়াকফ বিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির নেতৃত্বে এই বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়। আর সেখানেই যোগ দিতে যাচ্ছিলেন ভাঙর, মিনাখা, সন্দেশখালি সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে সাধারণ মানুষ এবং আইএসএফ কর্মী সমর্থকরা।
সেই সময় তাদেরকে আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। আর তা নিয়ে দফায় দফায় উত্তেজনা তৈরি হয় বাসন্তী হাইওয়ের (Bhangor Unrest) উপর। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে বলেও অভিযোগ। যা নিয়ে একেবারে রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি তৈরি হয়। এরপরেই হাইওয়ের উপর বিশাল গাছের গুড়ি ফেলে শুরু হয় অবরোধ। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিভিন্ন অংশে বর্তমানে অবরোধ চলছে।

প্রায় চার ঘন্টারও সময় পেরিয়ে গিয়েছে এই অবরোধ চলছে। যার ফলে তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে গোটা এলাকাজুড়ে। পুরো এলাকা সম্পূর্ণ ভাবে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। চরম সমস্যার মধ্যে সাধারণ মানুষ। যা খবর, বহু পথ ধরে মানুষকে হাঁটতে দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে ভাঙরেও অশান্তির খবর সামনে আসছে।
সেখানে পুলিশের গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া ভয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে কলকাতা পুলিশের বিশাল টিম ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে। রয়েছে পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার কাজ চলছে।
Bhangor Unrest: পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি
জানা গিয়েছে, বৈরামপুর সহ বিভিন্ন এলাকা অবরোধ তুলতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে অবরোধকারীদের ব্যাপক ধ্বস্তাধস্তি বেঁধে যায়। এমনকী পুলিশের লাঠির আঘাতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। এমনকী বেশ কয়েকজনের মাথা ফাটার ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
আইএসএফের এদিনের কর্মসূচিকেও তীব্র আক্রমণ মন্ত্রী তথা কলকাতায় মেয়র ফিরহাদ হাকিমের। তিনি বলেন, ওয়াকফ আইন কার্যকর হবে না বাংলায়। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীকে এই বিষয়ে বিস্তারিত বলেছেন। তাহলে যনাটক করে কেন অবরোধ, বিক্ষোভ করছেন? মানুষের সমস্যা কেন তৈরি করা হচ্ছে? প্রশ্ন তৃণমূল নেতার। একই সঙ্গে এই বিষয়ে আরও একবার বিরোধীদেরও তীব্র আক্রমণ শানান। আক্রমণ করেন যোগীকেও। বলেন, গুজরাতে কি অবস্থা সেখানে দেখা উচিৎ।
ফিরহাদ বলেন মুর্শিদাবাদের পরিস্থিতি এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। পুলিশ, DG দেখছেন। তবে এর পেছনে কি কারণ, কি পরিকল্পনা ছিল , সেটাও দেখতে অনুরোধ জানাবো পুলিশকে দেখতে। অন্যদিকে রাজ্যপাল রেড ক্রস এর কথা বলছেন। বলতেই পারেন। আগের রাজ্যপালকে দেখে প্রমোশন যাতে হয় সেজন্য এইসব বলছেন বলে কটাক্ষ ফিরহাদের।












Click it and Unblock the Notifications