Bhangar: ভাঙড়ে নাকা চেকিংয়ে গাড়ির ধাক্কায় রক্তাক্ত পুলিশ, অভিযুক্ত চালক-খালাসিকেই ছিনিয়ে নিল জনতা!
Bhangar: নাকা চেকিংয়ের সময় পুলিশকে ধাক্কা পিকআপ ভ্যানের। কর্তব্যরত পুলিশ (Police) কর্মীকে সজোরে ধাক্কা। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ওই পুলিশকর্মীকে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের উত্তর কাশীপুরের জামিরগাছির ঘটনা। পুলিশকে মেরে উল্টে দাদাগিরি চালক-খালাসির। তাদের ধরে ফেলায় পুলিশকে ঘিরেই বিক্ষোভ দেখানো হয়। পুলিশের থেকে অভিযুক্তদের ছিনিয়ে নেয় স্থানীয়রা।
শনিবার সকালে শোনপুর থেকে হাড়োয়াগামী রাস্তায় ঘটনাটি ঘটে। সীমানা এলাকায় নাকা চেকিং চালাচ্ছিল পুলিশ। সেসময় দ্রুত গতিতে আসছিল একটি পিক আপ ভ্যান। পুলিশের চোখে ধুলো দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল এই সন্দেহ বশতই নাকা চেকিংয়ের দায়িত্বে থাকা এক কনস্টেবল দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন গাড়িটিকে।

সেসময়ই গাড়ি না থামিয়ে উল্টে পুলিশকে সজোরে এসে ধাক্কা দেয় গাড়িটি। ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন পুলিশকর্মী। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে জিরানগাছা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।
অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে তাঁকে কলকাতার সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। উত্তর কাশিপুর থানার ওই কনস্টেবল সকালে থানা এলাকার জামিরগাছিতে ডিউটি করছিলেন ওই পুলিশ কর্মী। ঘটনা মাত্রই বাকি পুলিশকর্মীরা এসে ধরে ফেলে গাড়িটিকে।
চালক ও খালাসিকেও ধরে ফেলে পুলিশ। এদিকে চালক ও খালাসিকে ধরে ফেলায় উল্টে পুলিশকে ঘিরেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে উত্তর কাশীপুরের বিশাল পুলিশ আসে। রীতিমতো খণ্ডযুদ্ধের পর চালক ও খালাসিকে ছিনিয়ে নেয় স্থানীয়রা।
পিকআপ ভ্যানটি রেখে পালিয়েছে চালক ও তাঁর সহযোগী। কলকাতা পুলিশের টাওয়ার ভ্যান এসে পিকআপ ভ্যানটিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটকও করেছে পুলিশ। তবে দিনের আলোয় পুলিশকে ধাক্কা মারার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
তবে এই প্রথম নয়, গত জানুয়ারি মাসেই ভাঙড়ে মেলায় জুয়ার আসরে গিয়ে খেলা বন্ধ করতে গিয়ে আক্রান্ত হয় পুলিশ। বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় পুলিশকে। ভাঙড় থানার ৫ পুলিশকর্মী আহত হন ঘটনায়।












Click it and Unblock the Notifications