বাংলার বন্যা পরিস্থিতি কেন্দ্রের বঞ্চনার জন্য? বিধানসভায় আক্রমণে মমতা
বিধানসভায় রীতিমতো আক্রমণাত্মক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে বিঁধলেন তিনি৷ পাশাপাশি রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনা, বাংলার বন্যা অবস্থা নিয়েও এক হাত নিলেন তিনি৷
বাংলা নদীমাতৃক দেশ। অতীতের বহু বছর বন্যা দেখেছে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণবঙ্গ। হাওড়া, হুগলি, বর্ধমানের বিস্তীর্ণ এলাকা দামোদরের জলে ভেসে যায়৷ কেলেঘাই, কপালেশ্বরী নদীর জলে ভাসে পশ্চিম মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল।

বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রাখার সময় বাংলার বন্যা প্রসঙ্গ উঠেছে৷ এদিন কেন্দ্রের প্রতি তীব্র নিশানা করেছেন তিনি। " আমি মনে করি বাংলা, বিশেষ করে অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় ৪৩ শতাংশ বন্যার কবলে চলে যায়। এটা যেন রুটিন হয়ে গিয়েছে। উত্তরবঙ্গ প্রত্যেকবার সহ্য করে নিচ্ছে।"
মমতা বলেন, " ১৫ বছর ধরে কেন্দ্র বাংলার শেয়ার নেয়। কিন্তু তাকিয়ে দেখে না। বাঁকুড়া, নদিয়া, হুগলি জলে ভেসে যায়। এটা কেন্দ্রের সাব্জেক্ট। তাদের দেখা উচিত। আর বিজেপি আসার পর থেকে এরা সব বন্ধ করে দিয়েছে।" ডিভিসি কোনওদিন বলে না জল ছাড়ার আগে। আরও এক বার সেই অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, " বিহার, ঝাড়খণ্ডে বন্যা হলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ১৬৩.৫ কিমি এলাকা। ২০০৫ সাল থেকে ৩৩৭৩ হেক্টর জমি নদীগর্ভে তলিয়ে গিয়েছে ফরাক্কার ভাঙনে জন্য। এটা চিন্তার নয়? অথচ নির্লিপ্তভাবে কেন্দ্র বসে আছে। চোখ নেই, কান নেই, নিধিরাম সর্দার। আবার বাংলাকে বাদ দিয়ে চুক্তি হচ্ছে।"
" ডিভিসি তিন লক্ষ মেট্রিক টন জল ধরতে পারে যদি ড্রেজিং করে। করে না সে সব। জল বাড়তে থাকলে ১০ কিউসেক করে ছাড়ো। না করে ১০০ একেবারে ছেড়ে দেয়। আমি কিছু চেক ড্যাম করেছি। পুকুর কাটিয়েছি জল ধরো জল ভরো কাজে। তাতে কিছু সুরাহা হয়েছে।" দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
মাইথন জলাধারে ড্রেজিং করার দাবি তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, " ২২৩২ কোটি টাকার লোয়ার দামোদর একটা প্রকল্প নিয়েছি। তবে ডিভিসির স্টোরেজ না বাড়ালে উপকার হবে না। আমাদের দাবি পাঞ্চেত, মাইথনে ড্রেজিং হোক। "












Click it and Unblock the Notifications