আয়লার বীভৎসতা ছাপিয়ে যেতে পারে ঘূর্ণিঝড় ফণী, চূড়ান্ত সতর্কতা জারি হাওয়া অফিসের
ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে পশ্চিমবঙ্গে দারুণ প্রভাব পড়তে চলেছে বলে এদিন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।
ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে পশ্চিমবঙ্গে দারুণ প্রভাব পড়তে চলেছে বলে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। কলকাতা হাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় ফণী চূড়ান্ত রূপে আছড়ে পড়বে বাংলার উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে। তার প্রভাব পবে কলকাতাকেও। যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। উপকূলবর্তী এলাকায় বাড়িগুলি বিশেষ করে, যেগুলি কাঁচা ও বেড়ার বাড়ি সেগুলি পুরোপুরি বিধ্বস্ত হতে পারে বলে হাওয়া অফিস জানিয়েছে।

প্রভাব পড়বে সর্বত্র
পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় ফণীর কারণে বাংলার রাস্তাঘাট ও শস্য ক্ষেতের উপরেও জোর প্রভাব পড়বে। ২০০৯ সালে যেভাবে ঘূর্ণিঝড় আয়লা দক্ষিণবঙ্গকে বিপর্যস্ত করে দিয়েছিল, ঠিক সেই রকম ঘটনার সাক্ষী হতে পারে বাংলা। সেবছর আয়লা ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১১২ কিলোমিটার।

গতিবেগ আরও বেশি
তবে ফণীর ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ আরও অনেক বেশি। ঘন্টায় একশো কুড়ি কিলোমিটার গতিবেগে ঘূর্ণিঝড় ফণী বাংলার মাটিতে আছড়ে পড়বে বলে জানানো হয়েছে। হাওয়া অফিসের তরফে উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে বৃহস্পতি থেকে শুরু করে শনিবার পর্যন্ত সমস্ত ধরনের পর্যটকদের আনাগোনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিশেষ সতর্কতা
কলকাতা পুরসভার তরফে সমস্ত ইঞ্জিনিয়ারদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে যাতে সকলকে ফোনে পাওয়া যায়, সেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঘূর্ণিঝড় আটকাতে এনডিআরএফের আটটি দলকে মোতায়েন করা হয়েছে।

ওড়িশাতে সতর্কতা
ওড়িশা উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে ঘূর্ণিঝড়ের দারুণ প্রভাব পড়বে। ফলে পুরীতে পর্যটকদের বৃহস্পতিবারের মধ্যে এলাকার ছাড়তে বলা হয়েছে। আগামী শনিবার পর্যন্ত কোনও বড় প্রয়োজন না থাকলে ঘোরাফেরা করতে সাধারণ নাগরিকদের নিষেধ করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications