বামেদের পক্ষ নিয়ে তৃণমূলকে তুলোধোনা শুভেন্দুর, মমতাকে দিলেন নন্দীগ্রাম আন্দোলন নিয়ে খোঁচা
নবান্নে অভিযানের সময় পুলিশের লাঠিচার্জে সিপিএম যুবনেতা মইদুল মিদ্দার মৃত্যুর যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে এদিন মন্তব্য করে কার্যত বামেদের দাবিকে সমর্থনই জানালেন শুভেন্দু অধিকারী৷ সোমবার এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'একটা ছেলে চাকরি চাইতে এভাবে মেরে ফেলা সরকারের নৃশংসতা বর্বরতা প্রমাণ করে। এর থেকে মুক্তির পথ হল নরেন্দ্র মোদির আশির্বাদ পুষ্ঠ গণতান্ত্রিক সরকার তৈরি করা।'

'সংগঠিত ভাবে পিটিয়ে মারা হয়েছে'
তাঁর দাবি, 'এটা তো হঠাৎ ঘটে যাওয়া কোনও ঘটনা নয়। সংগঠিত ভাবে পিটিয়ে মারা হয়েছে। নন্দীগ্রামে গুলি চালানো দেখিয়ে সরকারে আসবে আর নবান্নের দরজায় যুবকদের পিটিয়ে পিটিয়ে মারবে এটা হতে পারে না। এর জবাব বাংলার মানুষ কেই দিতে হবে। পিটিয়ে মারবে আর সহানুভূতির জন্য চাকরির প্রস্তাব দেবে এটা হতে পারে না।' একই সঙ্গে তিনি দোষী পুলিশদের শাস্তির দাবি তুলেছেন৷

'এ তো কোনও সভ্য দেশে হয় না'
এরপর বামেদের সেই কর্মসূচি প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'গণতান্ত্রিক ভাবে চাকরি চাইতে এসেছিল ছেলেমেয়েরা। জল কামান চালিয়ে, গ্যাস ফাটিয়ে পুলিশ অনেক ভাবেই সরিয়ে দিতে পারত। কিন্তু মাটিতে ফেলে পিটিয়ে পিটিয়ে মারা, এ তো কোনও সভ্য দেশে হয় না।'

বাম ছাত্র যুবর নবান্ন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার
উল্লেখ্য, ১১ ফেব্রুয়ারি বাম ছাত্র যুবর নবান্ন অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় কলকাতায়। কর্মসংস্থান ও শিল্পের দাবিতে এবং রাজ্যে সরকার বদলের ডাক দিয়ে নবান্ন অভিযান কর্মসূচি ছিল ১০টি বামপন্থী যুব ও ছাত্র সংগঠনের। নবান্ন অভিযানের সময় ছাত্রদের উপর লাঠিচার্জের অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, পুলিশের লাঠিচার্জে আক্রান্ত হন মইদুল ইসলাম মিদ্যা।

পরিবারের পাশে দাঁড়াবেন বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা
প্রথমে তাঁকে ডাক্তার ফুয়াদ হালিমের অধীনে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। রবিবার রাতে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই সোমবার সকালে মৃত্যু হয় তাঁর। এবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মইদুল ইসলাম মিদ্যার পরিবারের পাশে দাঁড়াবেন বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷












Click it and Unblock the Notifications