ফুরফুরা কাঁটায় ধর্মনিরপেক্ষতার তকমা হারানোর ভয়, বাংলায় যেন দুই নৌকায় পা দিয়ে চলছে কংগ্রেস!

আব্বাস সিদ্দিকির সঙ্গে জোট কংগ্রেসের জন্য কিছুটা হলেও অস্বস্তিকর। তা এতদিনে স্পষ্ট করে দিয়েছেন স্বয়ং অধীর চৌধুরী। ধর্মনিরপেক্ষতার ব্যাজ পরে ঘুরে বেড়ানো কংগ্রেস-বামের কাছে আব্বাসের দল লাভদায়ক, ত অনস্বীকার্য। অব্বাস যে কংগ্রেস-বামের প্লেটে সংখ্যালঘু ভোটের একটি অংশ সাজিয়ে দেবে, তা বলা বাহুল্য। তবে রাজনৈতিক এই লাভের জন্যে কী নীতিগত লোকসান করতে হবে কংগ্রেসকে?

ধর্মনিরপেক্ষতা বড় বালাই

ধর্মনিরপেক্ষতা বড় বালাই

একিদন আগেই ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের সঙ্গে জোট নিয়ে কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মার সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী৷ মঙ্গলবার তারই পালটা আক্রমণ করলেন লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা৷ তাঁর দাবি, এই নেতারা দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের ক্ষমতা ভোগ করেছে৷ নিজেদের পাওনা বুঝে নিয়েছে৷ এখন তাঁরা মনে করছে যে কংগ্রেসে আর তাঁদের কিছু পাওয়ার নেই৷ তাই তাঁরা কংগ্রেসের বদনাম করছে৷ যা পরিস্থিতি, তাতে আব্বাসের সঙ্গে জোট বজায় রাখতে গিয়ে গান্ধীবাদী কংগ্রেস নেতাদের আক্রমণের মুখে পড়তে হচ্ছে।

আইএসএফ-এর উদয়

আইএসএফ-এর উদয়

প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট করে লড়াই করার জন্য বেশ কয়েকমাস ধরেই আলাপ আলোচনা চলছে৷ দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকটি বৈঠকও হয়েছে৷ প্রদেশ সভাপতি হিসেবে অধীরই এই জোটে কংগ্রেসের হয়ে আলোচনা চালাচ্ছেন৷ কিন্তু এই পরিস্থিতিতে আচমকা জোটের মধ্যে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট বা আইএসএফ-এর উদয় হয়েছে৷ তাদের সঙ্গে বামেদের একপ্রকার আসন ভাগাভাগি নিয়ে চূড়ান্ত কথাবার্তা হয়ে গেলেও, কংগ্রেসের সঙ্গে এখনও কিছুটা 'দূরত্ব' রয়ে গিয়েছে৷

ব্রিগেডে আব্বাসের 'ঝড়' নিয়ে আলোচনা

ব্রিগেডে আব্বাসের 'ঝড়' নিয়ে আলোচনা

এই অবস্থায় গত রবিবার ব্রিগেডের জনসভায় আইএসএফ নেতা আব্বাস সিদ্দিকীর উপস্থিতি ও ভাষণ ঘিরে নানা মহলে নানা কথা চলছে৷ কেউ কেউ বলছেন যে কীভাবে বাম-কংগ্রেস এমন একটি শক্তির সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে, যাঁরা ধর্মনিরেপক্ষ নয়৷ এই বিষয়টি নিয়েই আনন্দ শর্মা পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসকে খোঁচা দিয়ে একটি টুইট করেন ৷ ধর্মনিরপেক্ষতার পথ থেকে কংগ্রেসের সরে আসা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি৷

কংগ্রেসের ফাটল

কংগ্রেসের ফাটল

উল্লেখ্য, আনন্দ শর্মা কংগ্রেসের সেই ২৩ নেতার মধ্যে একজন যাঁরা সম্প্রতি দলের স্থায়ী সভাপতি চেয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন৷ যাঁদের এখন জি-২৩ বলে ডাকা হচ্ছে৷ আর তাই আনন্দ শর্মাকে ধরে অধীর একেবারে পুরো 'গোষ্ঠী'কেই বিঁধেছেন৷ অধীরের বক্তব্য, আনন্দ শর্মার মতো সিনিয়র নেতার তাঁর সঙ্গে সরাসরি এই নিয়ে কথা বলতে পারতেন৷ কিন্তু কেন টুইটারে এই প্রশ্ন তোলা হল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বহরমপুরের সাংসদ৷ পাশাপাশি তাঁর বক্তব্য, এই নেতারা হয়তো অন্য কোনও দলকে সাহায্য করার জন্যই এসব করছে৷ এই জোটকে সম্পূর্ণ ভিন্ন আঙ্গিকে তৈরি করা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন৷ কারণ, এখানে বিজেপি ও তৃণমূলকে ঠেকানোটা জরুরি৷ তাছাড়া তাঁর দাবি, কংগ্রেস বামফ্রন্টের সঙ্গে জোট করছে৷

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+