সরকারি কর্মীদের টিকাকরণ করতে ২০ লক্ষ ডোজ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে ডেকে অপমান করা হয়েছে। কার্যত মোদীর সঙ্গে বৈঠকের পরেই তোপ দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, বৈঠকে ডেকে নিয়ে গিয়ে পুতুলের মতো বসিয়ে রাখা হয়েছে! আমরি কি ক্রীতদাস?'
প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে ডেকে অপমান করা হয়েছে। কার্যত মোদীর সঙ্গে বৈঠকের পরেই তোপ দেগেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয়, বৈঠকে ডেকে নিয়ে গিয়ে পুতুলের মতো বসিয়ে রাখা হয়েছে! আমরি কি ক্রীতদাস?'
এরপরই কথা প্রসঙ্গে মোদীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ' রাজ্য চালাচ্ছি আমরা, আর দিল্লির শাহেনশা মানুষের দিকে তাকাচ্ছেন না।' কার্যত একের পর এক তোপ মমতার। আর এই বৈঠক শেষ হতেই ফের ভ্যাকসিন নিয়ে মোদীকে চিঠি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

২০ লক্ষ ডোজ চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর
করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই চিঠিতে সরকারি কর্মীদের ভ্যাকসিন দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য চাই ২০ লক্ষ ডোজ। অবিলম্বে সরকারি কর্মীদের টিকাকরণ করতে হবে। আর সে কারণে এই পরিমাণ ভ্যাকসিনের ডোজ চেয়ে এই চিঠি দেওয়া হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন চিঠিতে লিখেছেন, ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে চলেছেন সরকারি কর্মীরা। সেই কর্মী রাজ্যেরই হোক কিংবা কেন্দ্রের, কার্যত ঝুঁকি নিয়েই কাজ করে যাচ্ছেন তাঁরা। অনেক ক্ষেত্রেই তাঁরা সুপার স্প্রেডার হতে পারেন বলে দাবি। আর তাই দ্রুত এই ঠিকা দেওয়ার প্রয়োজন বলে দাবি মমতার।

বহু সরকারি কর্মী জরুরি ভিত্তিতে কাজ করছেন
এয়ারপোর্ট, বিমা, ব্যাংকের কর্মীরা লকডাউনের মধ্যেও কাজ চালিয়ে যাচ্ছেম। জরুরি ভিত্তিতে কাজ করছেন রেল কর্মীরাও। তাঁদের সবথেকে বেশি সংক্রমণ ঘটতে পারে। এমনকি প্রাণহানিও হতে পারে। আর সে কারণে দ্রুত ভ্যাকসিন এই সমস্ত কর্মীদের দেওয়ার প্রয়োজন। এমনটাই প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে জানানো হয়েছে। তবে চিঠিতে মমতা অভিযোগ করেছেন যে, কেন্দ্রীয় সরকারের তাঁদের প্রতি খেয়াল রাখার জন্যে কোনও পলিসি নেই। আর তার ফল এই সমস্ত কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ভুগতে হচ্ছে বলে অভিযোগ।

স্পষ্টভাষায় মমতার তোপ
মমত বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন স্পষ্ট ভাষায় বলেন, এদিনের বৈঠকে কার্যত ডেকে এনে অপমান করা হয়েছে। ১০ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের কিছু বলতে দেওয়া হয়নি। যা অপমানের শামিল। এর হাত ধরে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ভেঙে পড়ছে দেশের। প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়াল বৈঠকের পর কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এভাবেই তীব্র ক্ষোভপ্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। জানালেন, বৈঠকে কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে একটাও কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শুধু নিজের কথা বলে গেলেন। মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন, বৈঠকে ডেকে কথা বলতে না দিয়ে অপমান করা হয়েছে।

কেন এত ক্যাজুয়াল হবে?
বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রীদের পুতুলের মতো বসিয়ে রাখা হয়েছিল। ওষুধ-অক্সিজেনের অবস্থা নিয়ে কেউ কিছু জিজ্ঞাসা করেননি।' তিনি ।যোগ করেন, 'ভেবেছিলাম আমাদের বলতে দেওয়া হবে। আমরা ক্রীতদাস নই। বৈঠকে ওয়ান ওয়ে ইনসাল্টেশন, হিউমিলিয়েশন হয়েছে।' বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কার্যত একের পর এক তোপ দাগেন। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীদের ডেকে একটি কথাও বলতে দেওয়া হয়নি। কোভিড নিয়ে বৈঠক কেন এত ক্যাজুয়াল হবে? আমরা মুখ্যমন্ত্রীরা অপমানিত।'












Click it and Unblock the Notifications