উদ্বেগ বাড়িয়ে বাংলায় আরও তিনজনের শরীরে মিলল ওমিক্রন! থার্ড ওয়েভের শঙ্কায় চিকিৎসা বিধি রাজ্যে
ক্রমশ খারাপ থেকে খারাপতর হচ্ছে পরিস্থিতি। গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় চার হাজারেরও বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত। তাহলে কি স্বাস্থ্য আধিকারিকদের পর্বাভাসই সত্যি হতে চলেছে? এমনটাই আশঙ্কা প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। আর এই আশঙ্কার মধ্যেই বাংলায়
ক্রমশ খারাপ থেকে খারাপতর হচ্ছে পরিস্থিতি। গত ২৪ ঘন্টায় বাংলায় চার হাজারেরও বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত। তাহলে কি স্বাস্থ্য আধিকারিকদের পর্বাভাসই সত্যি হতে চলেছে? আছড়ে পড়তে চলেছে থার্ড ওয়েভ। এমনটাই আশঙ্কা প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে। আর এই আশঙ্কার মধ্যেই বাংলায় চোখ রাঙাচ্ছে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট।

আরও তিনজনের শরীরে ধরা পড়ল ওমিক্রনের নয়া এই ভ্যারিয়েন্ট। যা নিয়ে নতুন করে আশঙ্কার কালো মেঘ তৈরি হয়েছে বাংলার আকাশে।
জানা গিয়েছে, ওডিশা থেকে এক ব্যক্তি কলকাতায় ঢুকেছেন। তাঁর শরীরে ওমিক্রন পাওয়া গিয়েছে। আর এই তথ্য ওডিশা সরকারের কাছে আসতেই তা বাংলাকে জানিয়েছে তাঁরা। আর এরপরেই আরও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যে ওই ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে যারা এসেছে তাঁদেরও খোঁজ করা হচ্ছে। অন্যদিকে পেট্রোপোল সীমান্ত থেকে আরও দুই যাত্রীর শরীরে ওমিক্রনের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। ফলে গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে তিনজনের শরীরে ওমিক্রনের নমুনা পাওয়া গিয়েছে।
আর তা পাওয়া যাওয়াতে এক ধাক্কায় বাংলায় ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ১৯। তবে সংখ্যাটা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা চিকিৎসকদের। কারন এই মুহূর্তে বাংলাতে আরও বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজন করোনা আক্রান্ত রোগীর নিমুনা কল্যানীতে পাঠানো হয়েছে। জিনোম সিকোয়েন্সের জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসলেই বোঝা যাবে তাঁরা ওমিক্রন আক্রান্ত কিনা। তবে আরও পাঁচ জন বিদেশ ফেরত ব্যক্তির শরীরে ডেল্টার হদিশ মিলেছে।
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন আগেই এক আধিকারিক সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত ভারতে ডেল্টার জায়গা নিচ্ছে ওমিক্রন। কারন ইতিমধ্যে ভারতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে এক হাজার।
অন্যদিকে বাংকায় থার্ড ওয়েভের আশঙ্কায় সতর্ক প্রশাসন। ইতিমধ্যে হাসপাতাল থেকে শুরু করে ওষুধ পর্যাপ্ত তৈরি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই মতো সর্বস্তরে চলছে প্রস্তুতি। এই অবস্থায় বাড়ি কিংবা সেফ হোমেই চিকিৎসা হতে পারে উপসর্গহীন করোনা আক্রান্তদের। এমনটাই পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ইতিমধ্যে কলকাতায় সেফ হোমগুলি খুলতে শুরু করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে নতুন চিকিৎসা বিধি দেওয়া হয়েছে। যেখানে মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি ককটেল থেরাপির (Monoclonal Antibody Cocktail Therapy) পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
যদিও উপসর্গ রয়েছে কিংবা কো-মর্বিডিটি রিয়েছে এমন রোগীর ক্ষেত্রে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করার কথা বলা হয়েছে। হাসপাতালগুলি অ্যান্টি বডি ট্যাবলেটে যে ছাড় দিয়েছে কেন্দ্র তা ব্যবহারের কথা বলেছে।












Click it and Unblock the Notifications