ভোটে জিতেও হঠাৎ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছেড়ে দিতে চেয়ে চিঠি বিজেপি বিধায়কের! সিদ্ধান্ত ঘিরে জোর জল্পনা

ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস নিয়ে সরব বঙ্গ বিজেপি। জেলার বিভিন্ন জায়গাতে বিজেপির নেতা-কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। এই অবস্থায় গত কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছেড়ে দেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। হঠাত করে নিরাপত্তা ছাড়া নিয়ে

ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস নিয়ে সরব বঙ্গ বিজেপি। জেলার বিভিন্ন জায়গাতে বিজেপির নেতা-কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। এই অবস্থায় গত কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছেড়ে দেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। হঠাত করে নিরাপত্তা ছাড়া নিয়ে শুরু হয় জল্পনা।

ভোটে জিতেও হঠাৎ কেন্দ্রিয় নিরাপত্তা ছেড়ে দিতে চেয়ে চিঠি

প্রশ্ন উঠতে থাকে তাহলে কি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলের পথে লকেট? যদিও লকেট জানান, বাংলার অসংখ্য বিজেপি নেতারা-কর্মীরা মার খাচ্ছে আর সেখানে নিরাপত্তার ঘেরাটোপে থাকাটা বিলাসিতা।

আর এই জল্পনার মধ্যেই এবার নিরাপত্তা ছাড়লেন আরও এক বিজেপি বিধায়ক। বিপুল ভোটে জেতার পরেও কেন নিরাপত্তা ছাড়লেন তিনি? তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

জানা যাচ্ছে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করতে চলেছেন কোচবিহারের নাটাবাড়ির বিজেপি বিধায়ক মিহির গোস্বামী। ভোটের আগে তৃণমূল ছাড়েন তিনি। এরপর নিশীথ প্রামাণিকের হাত ধরে দিল্লিতে গিয়ে বিজেপিতে যোগ দেণ তিনি। এবার ভোটে ভালো ভাবেই জিতেছেন।

কিন্তু এরপরেও কেন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছাড়তে চান মিহির গোস্বামী? তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। ইতিমধ্যে বাহিনী ছাড়তে চেয়ে এসএসজি-র ডিআইজিকে চিঠি লিখেছেন তিনি। জেখানে বিস্তারিত ভাবে বাহিনী ছাড়ার বিষয়ে জানানো হয়েছে। তাঁকে নিয়ে জল্পনা তৈরি হলেও বিজেপি বিধায়ক চিঠিতে নিরাপত্তা নিতে না চাওয়ার কারণ উল্লেখ করেছেন।

তিনি লেখেন, "বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বহু বিজেপি কর্মী হামলার শিকার হচ্ছেন। দলীয় কর্মীরা তার ফলে ভীত, সন্ত্রস্ত। অধিকাংশ বিজেপি কর্মী মিথ্যা মামলায় ফেঁসে গিয়েছেন। কেউ কেউ জেলবন্দিও।" দলীয় কর্মীরা বিপদের মধ্যে রয়েছে জেনেও নিজে সিআইএসএফ-এর নিরাপত্তা নিতে পারবেন না বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন মিহির গোস্বামী।

কার্যত অনুশোচনা থেকেই এই কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়তে চান বলে জানিয়েছেন মিহির গোস্বামী। তবে এই বিষয়ে অন্য কোনও জল্পনা এই বলেই জানিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক। তাঁর দাবি, দলীয় নেতা-কর্মীদের বিপদে ফেলে নিজে নিরাপদে থাকলে তাঁদের মনোবল ভেঙে যাবে।

এর পাশাপাশি পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তিনি। তবে তাঁর এভাবে ইরাপত্তা ছাড়া নিয়ে তৃণমুলের তরফে তীব্র কটাক্ষ করা হয়েছে। শাসকদলের দাবি, বাংলা দখলের ছক কষেছিল বিজেপি। কিটু না হওয়াতে সবার বাহিনী প্রত্যাহার করা হচ্ছে বলে দাবি তাদের।

উল্লেখ্য, এর আগে ঠিক একই কারণ দেখিয়ে লকেট চট্টোপাধ্যায়ও নিরাপত্তা প্রত্যাহার করেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠিও লিখেছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, ভোটের পরেও উত্তপ্ত বাংলা। আক্রান্ত হচ্ছেন বিজেপি নেতারা।

এমনকি বিধায়কদেরও আক্রান্ত হতে হচ্ছে। এই অবস্থায় বড়সড় সিদ্ধান্ত শাহের দফতরের। বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী বিজেপি বিধায়কদের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হবে। এমিনটাই জানিয়ে দেওয়া হল মন্ত্রকের তরফে। সাধারণত রাজ্যের তরফে নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন বিধায়করা।

গুরুত্ব বিচার করে নিরাপত্তা দেওয়া হয় । কিন্তু সবদিক বিচার করেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার সিদ্ধান্ত। ভোটের আগেই বেশ কয়েকজন বিজেপি প্রার্থীকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা দেওয়া হয় কাউকে কাউকে।

কিন্তু ভোট পরবর্তী পরিস্থিতি বিচার করে ৭৭ জন বিধায়ককেরই সুরক্ষার কথা ভাবা হচ্ছে। তাই রাজ্য বিজেপি ও কেন্দ্রের আলোচনার মাধ্যমে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে ইতিমধ্যে একাধিক তারকা ছেড়ে দিয়েছেন কেদ্রিয় বাহিনী। একাধিক বিজেপি নেতাও।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+