শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ আনতেই মুকুলের পথেই 'প্রভাবশালী' বিজেপি নেতা! আতঙ্কে দিলীপ-শুভেন্দু

ভোট মিটতেই বড় ধাক্কা! সবকিছু ঠিক থাকলে আজ শুক্রবারই তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন মুকুল রায়। সূত্রের খবর, আজ প্রথমে কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেন মুকুল রায়। সেখানে থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

ভোট মিটতেই বড় ধাক্কা! সবকিছু ঠিক থাকলে আজ শুক্রবারই তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন মুকুল রায়। সূত্রের খবর, আজ প্রথমে কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেন মুকুল রায়। সেখানে থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সম্ভবত এরপর তৃণমূল ভবনে গিয়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি তথা কৃষ্ণনগর উত্তরের বিধায়ক মুকুল রায়। আর তাঁর সঙ্গেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলের পথে নাম লেখাতে পারেন একাধিক বিজেপি নেতা।

বিজেপিতে যেতে পারেন সব্যসাচী!

বিজেপিতে যেতে পারেন সব্যসাচী!

মুকুলের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সব্যসাচী। তৃণমূলে থাকাকালীন একাধিকবার সব্যসাচীর সঙ্গে দেখা করেছিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। এরপর তাঁর হাত ধরেই দলবদল। জানা গিয়েছে, ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই মুকুল রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন সব্যসাচী। মনে করা হচ্ছে মুকুল রায়ের সঙ্গেই হয়তো তৃণমূলে ফিরতে পারেন সব্যসাচী। গত কয়েকদিন আগেই দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেণ তিনি। স্পষ্ট বলে দিয়েছিলেন, মমতার বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর মতো মুখ বিজেপির ছিল না। হিন্দিভাষী নেতাদের দিয়ে বাংলা দখল সম্ভব নয়। যা নিয়ে চরম অস্বস্তিতে বিজেপি শিবির।

ফেসবুকে কার্যত বোমা ফাটিয়েছেন রাজীবও

ফেসবুকে কার্যত বোমা ফাটিয়েছেন রাজীবও

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা ডোমজুড়ের বিজেপি প্রার্থী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি বোমা ফাটিয়েছেন। ফেসবুক পোস্টে প্রকাশ্যেই সরকারের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। দলের নীতির সমালোচনা করে বলেছেন, বারবার রাষ্ট্রপতি শাসন বা ৩৫৬ ধারার জুজু দেখালে মানুষ ভালভাবে নেবে না। উল্লেখ্য, রাজীব ভোটের পর থেকেই কার্যত বেপাত্তা। দলের কোনও মিটিং-মিছিলে দেখা যায় না। দিলীপ ঘোষেরাই নাকি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। যদিও সুভাষ সরকারের দাবি, তিনি সব্যসাচী এবং রাজীব দুজনের সঙ্গেই কথা বলেছেন।

ব্যাখ্যা চেয়েছে শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি!

ব্যাখ্যা চেয়েছে শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি!

এখনও সরকারিভাবে শো-কজ না করা হলেও, তাঁদের কাছে এই ধরনের বক্তব্যের কারণ জানতে চেয়েছেন বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান তথা সাংসদ ডাঃ সুভাষ সরকার। আসলে গেরুয়া শিবিরের একাংশের আশঙ্কা, মুকুল তৃণমূলে ফিরলে অনেকেই তাঁর পিছু নেবেন। সেই তালিকায় প্রথম নাম হতে পারে সব্যসাচী এবং রাজীবের। সুভাষ সরকারের দাবি, তিনি সব্যসাচী এবং রাজীব দুজনের সঙ্গেই কথা বলেছেন। এমনকি ফেসবুকে বোমা ফাটাতেই রাজীবের সঙ্গে কথা বলেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাতেও বরফ গুলেনি বলেই খবর।

সৌগতের মন্তব্যে জল্পনা!

সৌগতের মন্তব্যে জল্পনা!

দমদমের সাংসদের দাবি, "এমন বহু নেতা আছে, যারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে, এবং তাঁরা এখন ফিরে আস চায়।" সৌগতর বক্তব্য তৃণমূলের এই দলত্যাগীরা মূলত দুই শিবিরে বিভক্ত। কেউ কেউ নরমপন্থী, কেউ কেউ চরমপন্থী। এরপরই বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা কার্যত উদাহারন হিসাবে শুভেন্দুর নাম সামনে আনেন। তিনি বলেন, "শুভেন্দু অধিকারীর মতো নেতারা যেখানে মমতাকে নিয়ে প্রকাশ্যেই বাজে কথা বলেছে, সেখানে মুকুল রায় কখনও মমতাকে নিজে কটু কথা বলেননি।" সৌগতর এই মন্তব্যের পরই অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, তাহলে কি 'নরমপন্থী' মুকুলের জন্য দলের রাস্তা খুলে দিল তৃণমূল? যদিও সৌগতবাবু স্পষ্ট করে দিয়েছেন, দলত্যাগীদের ফেরানো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মমতাই নেবেন। উল্লেখ্য, রাজ্য রাজনীতিতে এই মুহূর্তে লাখ টাকার প্রশ্ন, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় কি গেরুয়া শিবির ছেড়ে তৃণমূলেই ফিরতে চলেছেন? সেই প্রশ্নের উত্তর অজানা থাকলেও তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় কি মুকুলকে কোনও ইশারা দিতে চাইলেন? মুকুল রায় ফিরতে চাইলে তৃণমূলের রাস্তা যে তাঁর জন্য খোলা সেটাই বোঝাতে চাইলেন সাংসদ? প্রশ্ন রাজনৈতিকমহলের।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+