বঙ্গ বিজেপির সংগঠন ঢেলে সাজছে আরএসএসের বিচারধারায়, পরিবর্তন আসছে যেখানে
বঙ্গ বিজেপির সংগঠন ঢেলে সাজছে আরএসএসের বিচারধারায়, পরিবর্তন আসছে যেখানে
বঙ্গ বিজেপির সংগঠনকে শক্তিশালী করতে নয়া পরিকল্পনা নিয়েছে আরএসএস। রাজ্যের সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে একুশের নির্বাচনে ভরাডুবির পর। আরএসএস আরও দু-তিনজন সাধরাণ সম্পাদককে অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছে রাজ্য সংগঠনে। বিজেপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়ছে অমিতাভ চক্রবর্তী। আপাতত তাঁকে স্বপদে বহাল রেখে আরও দু-তিনজনকে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আনা হচ্ছে।

সঙ্ঘের সাংগঠনিক ধাঁচ মেনে রাজ্য বিজেপি সাজছে
বাংলায় বিজেপির সংগঠন ঢেলে সাজাতে এখন সঙ্ঘের পদক্ষেপ নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। সঙ্ঘের সাংগঠনিক ধাঁচ মেনে রাজ্য বিজেপি সাজতে চলেছে। সেইমতোই সংগঠনের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। সঙ্ঘের ধাঁচ অনুযায়ী রাজ্যকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হচ্ছে। কোচবিহার থেকে মালদহ পর্যন্ত উত্তরবঙ্গ, আর দক্ষিণবঙ্গকে দু-ভাগে ভাগ করা হয়েছে। একটা রাঢ়বঙ্গ ও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ।

বাংলাকে তিন অংশে ভাগ করে সাজাচ্ছে আরএসএস
বাংলাকে তিন অংশে ভাগ করে তিনজন সাধারণ সম্পাদককে দায়িত্ব দেওয়া হবে। উত্তরবঙ্গের জন্য একজন সাধারণ সম্পাদক। আর দক্ষিণবঙ্গের ১৫ জেলাকে দু-ভাগে ভাগ করে দুজন সাধারণ সম্পাদককে দায়িত্ব দেওয়া হবে। দুই বর্ধমান থেকে শুরু করে বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া-সহ সমস্ত জঙ্গলমহল নিয়ে রাঢ়বঙ্গকে একদিকে রাখা হয়েছে। আর দক্ষিণবঙ্গের কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াকে নিয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ।

রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সংগঠন পদ-সজ্জা সঙ্ঘের
রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সংগঠন পদ-সজ্জার গোটা বিষয়টি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। তিন পদাধিকারীর মধ্যে সমন্বয়ের কাজ করবেন সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত অমিতভ চক্রবর্তী। যদিও সঙ্ঘের একাংশের মতে অমিতাভ ও নতুন তিনজনকে সাধারণ সম্পাদক সংগঠনের পদ না দিয়ে একজনকে রাজ্য সভাপতির ক্যাবিনেটে রাখতে পারে আরএসএস।

সঙ্ঘ চাইছে পুরো বিষয়টি প্র্ক্রিয়া মাফিক এগোতে
সঙ্ঘ চাইছে পুরো বিষয়টি একটা প্র্ক্রিয়ার মধ্যে এগিয়ে নিয়ে যেতে। ভবিষ্যতে রাজ্য সভাপতি হিসেবে যাঁকে সামনে আনতে পারে সঙ্ঘ। সঙ্ঘের বিচারধারা মোতাবেক আগেও এমন একটি চক্র কাজ করত রাজ্য বিজেপিতে। সুব্রত চট্টোপাধ্যায় যখন রাজ্য বিজেপির সাধাকরণ সম্পাদক সংগঠন পদে ছিলেন, তখন তাঁর সহকারী হিসেবে কাজ করতেন অমিতাভ চক্রবর্তী ও কিশোর কর।

সাধারণ সম্পাদক সংগঠন পদ সঙ্ঘের বিচারধারায়
অমিতাভ চক্রবর্তী এখন বাংলায় বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সংগঠনের পদে রয়েছে। আর কিশোর কর বর্তমানে ত্রিপুরার সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত। সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে স্বপদে রেখেই দুজনকে জুড়ে দেওয়া হয়েছিল সংগঠনে। তারপর তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল তাঁর পদ থেকে। সুব্রতকে নিষ্ক্রিয় করে তাঁকে বিদায়ের বার্তা দিয়েছিলেন অমিত শাহ। তবে আরএসএস অমিতাভকে সরাতে নয়, রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সংগঠন পদকে সঙ্ঘের বিচারধারায় সাজাতেই এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications