করোনায় লকডাউন! বাজারে ডিমের জন্য হাহাকার, মুদি দোকানে ১০ মিনিটের জিনিস মিলছে ১ ঘন্টায়
করোনায় লকডাউন! বাজারে ডিমের জন্য হাহাকার, মুদি দোকানে ১০ মিনিটের জিনিস মিলছে ১ ঘন্টায়
করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে গিয়ে লকডাউন। কিন্তু সেই লকডাউন থেকে বাঁচতে সকাল থেকে পাড়ার দোকান কিংবা শপিং মলগুলিতে ব্যাপক ভিড়। অনেকেই বলছেন, পরিস্থিতি এমনই যে করোনা ভাইরাসকেই আগেভাগে ডেকে আনা হচ্ছে।

রাজ্যে লকডাউন শুরু সোমবার বিকেল ৫ টা থেকে
রবিবারই রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে সোমবার বিকেল ৫ টা থেকে রাজ্যে লকডাউন। এই লকডাউন চলবে রাজ্যের ২৩ টি জেলাতেই। তবে একেবারে গ্রামীণ এলাকাগুলিকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই জেলা সদর এবং পুরসভা এলাকাগুলিকে এই লকডাউনের আওতায় রাখা হয়েছে। আর মালদহ, মুর্শিদাবাদের মতো জেলাগুলিকে পুরোপুরি লকডাউনের আওতায় রাখা হয়েছে। আপাতত এই লকডাউন টলবে ২৭ মার্চ রাত ১২ টা পর্যন্ত। পরিস্থিতি অনুযায়ী এই লকডাউন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেই সূত্রের খবর।

শপিং মলগুলিতে ভিড় সকাল ছটা থেকে
কলকাতার ইএম বাইপাসের ধারেই হোক কিংবা অন্য শপিং মল খোলার পর থেকেই ভিড়। বাইপাসের ধারের শপিং মল ৩৬৫ x২৪x ৭ খোলা। কিন্তু এদিন সকাল ছটা থেকে অন্য চিত্র। সাত সকালেই সেখানে ভিড় জমিয়েছেন কম করে ৫০০ মানুষ। দিন যত বাড়ছে ভিড়ের পরিমাণ তত বাড়ঠে। একই পরিস্থিতি অন্য শপিং মলগুলিতেও।

পাড়ার দোকানে ১০ মিনিটের জিনিস মিলছে ১ ঘন্টায়
আর পাড়ার চালু মুদির দোকানেও লম্বা লাইন। যেসব জিনিস অন্যদিন ১০ মিনিটে পাওয়া যায়, সেইসব জিনিস নিতেই এদিন লাইন দিতে হয়েছে। সময় লেগে যাচ্ছে ১ ঘন্টা। কিংবা তারও বেশি।

ডিমের জন্য হাহাকার
এদিন বেলা ১০ টা পেরোতেই দোকানে দোকানে ডিমের জন্য হাহাকার। সবাই এক দোকানে না হলে অন্য দোকানে খোঁজ করছেন যদি ডিম পাওয়া যায়। কিন্তু তা অমিল। প্রায় সব দোকানি বলছেন মঙ্গলবার সকালের আগে তা পাওয়া যাবে না।

সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন
যে কারণে লকডাউন করছে সরকার, লকডাউনের মোকাবিলায় বাড়িতে জিনিস মজুত করতে সাধারণ মানুষে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠছে। কেননা এই ভিড়ে অনেক মানুষ খুব কাছাকাছি এসে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে শারীরিক নিয়মেই কেউ কেউ হাচি কিংবা কাশিতে ব্যস্ত। করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচতে অন্তত ১ মিটার দূরত্বের কথা বলা হচ্ছে, তা বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications