Calcutta High Court: হাইকোর্টে তিরষ্কার ব্যারাকপুরের সিপিকে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তরা গ্রেফতার
Calcutta High Court: কলকাতা হাইকোর্ট তীব্র ভর্ৎসনা করেছিল। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই যেন ভোলবদল হয়ে গেল পুলিশের। পুলিশ যেন কোনও সাফাই না দেয়। সেই কথা বলেছিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।
কলকাতা হাইকোর্টের তীব্র তিরষ্কারের মুখে পড়েছেন ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনারেট অলোক রাজরিয়া। হাইকোর্টের ভর্ৎসনার পরে সক্রিয় পুলিশ। তড়িঘড়ি যুক্ত হল খুনের ধারা। শুধু তাই নয়, গ্রেফতার করা হল সব অভিযুক্তকেই। এমনই রিপোর্ট দিয়ে জানাল ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট।

গত বছরের জুন মাসের বাড়ি ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে খুন হন টিটাগড়ের বাসিন্দা গোবিন্দ যাদব। ভাড়াটে সহ অন্যদের বিরুদ্ধে ছাদ থেকে ফেলে পিটিয়ে মারার অভিযোগ। অভিযোগ, পুলিশ সরাসরি খুনের ধারা যুক্ত না করে অনিচ্ছাকৃত খুনের ধারায় মামলা রুজু করে। খড়দহ থানার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল।
কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চে মামলা উঠেছিল। ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার অলোক রাজোরিয়াকে হাইকোর্টে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। গতকালই আদালতে সশরীরে হাজিরা দেন ব্যারাকপুরের কমিশনার অলোক রাজোরিয়া এবং তদন্তকারী আধিকারিকরা। বিচারপতিদের তীব্র তিরষ্কারের মুখে পড়েন তারা।
বিচারপতি দেবাংশু ভট্টাচার্যের কড়া মন্তব্য, পুলিশ যেভাবে তদন্ত করছে, তাতে তাদের প্রত্যেককে মেডেল দেওয়ার জন্য সুপারিশ করা উচিত। বিচারপতি আরও বলেন, ছাদ থেকে ধাক্কা মেরে একজনকে নীচে ফেলে দেওয়া হল। তারপর তাকে পেটানো হল৷ পুলিশ খুনের ধারা যুক্ত করার মতো অপরাধ খুঁজেই পেল না। এই তো রাজ্যের অবস্থা!
রাজ্যের তরফে আইনজীবী পুলিশের কাজের ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাকে থামিয়ে দেন বিচারপতি৷ বিচারপতি দেবাংশু বসাক বলেন, কোনও সাফাই দেবেন না। আজ কমিশনার হাজিরা দিয়েছেন। আর কথা বললে কাল রাজ্যের ডিজিকে হাজিরার নির্দেশ দেব।
এত মাস ধরে পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল বলে অভিযোগ। এবার সেই পুলিশই যেন অতি সক্রিয় হয়ে গেল। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার হল অভিযুক্তরা।












Click it and Unblock the Notifications