সেনাবাহিনীর হাতে বাংলাদেশ! অপারেশনাল প্রস্তুতি পর্যালোচনায় সীমান্ত পরিদর্শন BSF ডিজির
প্রতিবেশী বাংলাদেশের পরিস্থিতি অশান্ত, দেশ গিয়েছে সেনাবাহিনীর হাতে। সেই পরিস্থিতিতে এদিন সীমান্ত পরিদর্শন করলেন বিএসএফের ডিজি দলজিৎ সিং চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন এজিডি ইস্টার্ন কমান্ড রবি গান্ধী, দক্ষিণবঙ্গের আইজি মনিন্দর প্রতাপ সিং।
উত্তর ২৪ পরগণা জেলা এবং সুন্দরবন এলাকায় ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত পরিদর্শন করেন তারা। এই সফরের উদ্দেশ্য গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং কৌশলগত মোতায়েন পর্যালোচনা করা।

গত তেসরা অগাস্ট দলজিৎ সিং চৌধুরী বিএসএফের ডিজির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তার পরে তাঁর প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সফর হল পশ্চিমবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। বাংলাদেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সতর্কতা জারি করেছে বিএসএফ। সীমান্তে মোতায়েন জওয়ানের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।
দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের সদর দফতরে বিএসএফ-এর এডিজি ইস্টার্ন কমান্ড রবি গান্ধী বিস্তারিত ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে এই সফর শুরু হয়। ব্রিফিংয়ে ইস্টার্ন কমান্ডের ব্যাটালিয়নের কৌশলগত পরিস্থিতি এবং অপারেশনগুলি বিষয়গুলি বর্ণনা করেন। যেখানে ডিজিকে সংবেদনশীল আন্তর্জাতিক সীমান্তে জাতীয় নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিএসএফের ভূমিকা সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
ব্রিফিংয়ের পরে বিএসএফের ডিজি দলজিৎ সিং চৌধুরী, এডিজি রবি গান্ধী এবং অন্য অফিসারদের সঙ্গে নিয়ে ধামাখালীতে যান। সেখানে ১১৮ তম ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট ডিজি বিএসএফকে টি-জংশনে মোতায়েন করা ভাসমান বিওপির পথে ব্যাটালিয়নের জলসীমার দায়িত্ব সম্পর্কে অবহিত করেন। রেইন ফরেস্ট এবং জল-সমৃদ্ধ ভূখণ্ডের চ্যালেঞ্জ এবং সীমান্ত অপরাধ চোরাচালান এবং অবৈধ ক্রসিং-সহ পরিস্থিতির মোকাবেলায় কার্যকরী পদক্ষেপগুলি তুলে ধরেন। ঘন রেইন ফরেস্ট সুন্দরবনে অবস্থিত ফাঁড়ি পরিদর্শনের মধ্য দিয়ে বিএফএফের ডিজির সফর শেষ হয়।
ডিজি বিএসএফ-এর সফরের মাধ্যমে ভারতের সীমান্ত রক্ষা, এই অঞ্চলে শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিএসএফ-এর নিষ্ঠা ও সতর্কতা তুলে ধরা হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানিয়েছে সীমান্ত রক্ষী বাহিনী। সুন্দরবন এবং উত্তর ২৪ পরগণায় বিএসএফ-এর চলমান প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধ এবং জাতির সার্বভৌমত্ব বজায় রাখার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।












Click it and Unblock the Notifications