Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Bangla Bandh: বাংলা বনধে মিশ্র সাড়া দক্ষিণবঙ্গে, বিক্ষিপ্ত অশান্তি, পুলিশের লাঠিচার্জ নন্দীগ্রামে

Bangla Bandh: বাংলা বনধ সফল করতে পথে বিজেপি নেতৃত্ব। অন্যদিকে, বনধ ব্যর্থ করতে মরিয়া প্রয়াস তৃণমূল কংগ্রেসের। নিট ফল দক্ষিণবঙ্গে মিশ্র সাড়া বাংলা বনধে।

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে মিছিল করেন। নন্দীগ্রামে এদিন বিক্ষিপ্ত অশান্তি হয়েছে। আহতদের দেখতে হাসপাতালেও যান শুভেন্দু।

Bangla Bandh

নন্দীগ্রামে বনধের সমর্থনে রাস্তায় নেমেছিলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তাঁদের সরানোর চেষ্টা করছিল পুলিশ। এতেই তৈরি হয় ব্যাপক উত্তেজনা। শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ধ্বস্তাধ্বস্তি। এরপরই পুলিশ লাঠিচার্জ করে। বিজেপির দাবি, তাদের পাঁচজন কর্মী সমর্থক আহত হয়েছেন।

সকাল থেকেই নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে পথ অবরোধ করেন স্থানীয় বিজেপি-কর্মী সমর্থকেরা। রাজ্য সরকারের ওপর বসে পড়েই পথ অবরোধ চালাতে থাকেন তাঁরা। অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে নন্দীগ্রাম-চণ্ডীপুর রাজ্য সড়ক। বেশ কিছু দোকান বাজার বন্ধ থাকলেও নন্দীগ্রামের গড় চক্রবেরিয়া জহুরীর মোড় সরস্বতী বাজার-সহ একাধিক জায়গায় দোকানপাট খোলা ছিল।

কেন্দামারি ফেরিঘাট নন্দীগ্রামের গুরুত্বপূর্ণ যাতায়াতের একটি প্রধান মাধ্যম। সেখানে বনধ রুখতে কড়া পুলিশি প্রহরা ছিল। স্বাভাবিক ছিল কেন্দামারি-হলদিয়া ফেরি সার্ভিস। তবে রাস্তাঘাটে মানুষজন অত্যন্ত কম। নন্দীগ্রামের বাস, ট্রেকার ও অন্যান্য ছোট গাড়ি তুলনায় স্বাভাবিকভাবেই কম চলাচল করছে।

বিজেপির ডাকা 'বনধ' ব্যর্থ করতে বাঁকুড়ায় সকাল থেকেই তৎপর ছিল তৃণমূল। বাস শ্রমিকদের একপ্রকার 'হুমকি' দিয়েই বাস চালাতে বাধ্য করলেন তৃণমূল নেতা বাপি চক্রবর্তী। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ডা. সুভাষ সরকার, বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানা-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারা বনধের সমর্থনে বাঁকুড়া গোবিন্দনগর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মিছিল করেন।

বেসরকারি বাস রাস্তায় বিশেষ দেখা যায়নি। ডা. সুভাষ সরকার বলেন, আমাদের আবেদনে সাড়া দিয়ে বেসরকারি বাস শ্রমিকরা কাজে যোগ দেননি। সকলেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে বনধ পালন করছেন।

বাংলা বনধের মিশ্র প্রভাব দেখা গেছে বাঁকুড়ার জঙ্গলমহলে। এই এলাকার রানিবাঁধে অধিকাংশ দোকান বন্ধ থাকলেও রাস্তার পাশে সব্জির পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা। রানিবাঁধে বনধের বিরোধিতায় দলীয় পতাকা হাতে পথে নেমেছেন তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরাও।

ত্রিবেণী, হুগলি, ব্যান্ডেল স্টেশনে ট্রেন অবরোধ হলেও সকাল থেকে স্বাভাবিকই ছিল চুঁচুড়া - নৈহাটী লঞ্চ পরিষেবা। দুর্গাপুরে বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘোরুই দুর্গাপুর বেনাচিতি বাজারের দোকানপাট বন্ধ করার চেষ্টা করলে তৃণমূল নেতা-কর্মীরা বাধা দেন। দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রমে আনে।

আজ সকাল থেকে বনধের তেমন প্রভাব পড়েনি হাওড়া শহরে। হাওড়া স্টেশনে ট্রেন চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের সংখ্যা ছিল অনেক কম। পাশাপাশি একই চিত্র দেখা গেছে হাওড়া বাস স্ট্যান্ডেও। যেখানে পরিবহন ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক থাকলেও মানুষের তেমন একটা দেখা মেলেনি।

হাওড়া ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে যাত্রীদের ভিড় থাকলেও ট্যাক্সির দেখা মেলেনি। পাশাপাশি হাওড়া শহরের বিভিন্ন জায়গায় বাজার দোকান মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে। বনধের সমর্থনে রাস্তায় নেমেছেন বিজেপি নেতা সঞ্জয় সিং। পাশাপাশি দোকানপাট চালু রাখতে ব্যবসায়ীদের আহ্বান জানান তৃণমূল নেতা সুরজিৎ সাহা।
দক্ষিণ-পূর্ব রেলের বাগনান স্টেশনে সাময়িক ট্রেন অবরোধের চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মীরা। তবে সেখানে আরপিএফ এবং জিআরপি গিয়ে তা তুলে দেয়। হাওড়ার কদমতলার পাওয়ার হাউস মোড়ে পথে নামলেন বিজেপি কর্মীরা। দোকানপাট বন্ধ করানোর চেষ্টা হয়। ব্যাঁটরা থানার পুলিশ গিয়ে বনধ সমর্থকদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।

পঞ্চাননতলায় বিজেপি কর্মীরা জোর করে দোকানপাট বন্ধ করার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশ ও র‍্যাফের সঙ্গে কার্যত ধস্তাধস্তি খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায় বিজেপি কর্মীদের। পুলিশ পঞ্চাননতলা থেকে উমেশ রাই, ওমপ্রকাশ সিং প্রমুখ বিজেপি নেতৃত্বকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

হাওড়ার ডোমজুড় বাজারে পথে নামেন ডোমজুড়ের ৩ নম্বর ও ৪ নম্বর মণ্ডলের বিজেপি কর্মীরা। অভিযোগ, সেই সময় তৃণমূলের লোকজন এসে বিজেপি কর্মীদের বাধা দেন। ফলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। দুই দলের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ বেধে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। হাওড়ার গোলাবাড়ি থানার সামনে পুলিশের উপস্থিতিতেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীরা।

রক্ত ঝরল উত্তরপাড়ায়। বিজেপির অভিযোগ, উত্তরপাড়ার তৃণমূল কাউন্সিলর সন্দীপ দাসের নেতৃত্বে আক্রমণ চালানো হয় বিজেপি কর্মীদের উপর। মাথা ফাটে উত্তরপাড়ার মণ্ডল সভাপতি সঞ্জয় বণিকের। রানিগঞ্জের বল্লভপুরে বিজেপির যুব মোর্চার কার্যকর্তাদের বাঁশ দিয়ে মেরে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+