ধর্ষণে অভিযুক্ত ঋতব্রত ঘোর বিপাকে, আগাম জামিনের শুনানি রদে গ্রেফতারির আশঙ্কা
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার সহবাস করার। সেই অভিযোগের গ্রেফতারির আশঙ্কা থেকে বাঁচতে আগাম জামিনের আবেদন করেন ঋতব্রত।
আরও বিপাকে সিপিএমের বহিষ্কৃত সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সিআইডি যখন তাঁর খোঁজে দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছে, তখনই তাঁর আগাম জামিনের মামলার শুনানিই রদ হয়ে গেল। তদন্তকারী অফিসার উপস্থিত না থাকায় এদিনও কেস ডায়েরি জমা দেওয়া যায়নি। ফলে স্বাভাবিক নিয়মেই এদিন শুনানির কাজ এগোয়নি। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে ৩ নভেম্বর।

সিপিএমের ওই বহিষ্কৃত সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তিনি বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নম্রতা দত্তকে দিল্লির ফ্ল্যাটে নিয়ে গিয়ে তাঁর সঙ্গে একাধিকবার সহবাস করেন। কিন্তু পরে প্রতিশ্রুতিভঙ্গ করে টাকার বিনিময়ে সবকিছু মিটামাট করে নেওয়ার কথা বলেন। তারপরই নম্রতা স্বীকৃতির দাবিতে ঋতব্রতর বিরুদ্ধে সরব হন।
তিনি বালুরঘাট থানাতেও অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগ পরিপ্রেক্ষিতের রুজু হল মামলা। এদিকে ঋতব্রতর বালুরঘাট আদালতেই আগাম জামিনের আবেদন করেন। সেই মামলরাই শুনানির কথা ছিল এদিন। কিন্তু তদন্তকারীর অফিসারের অনুপস্থিতি কেস ডায়েরি না জমা দেওয়ায় মামলাটি শুনানিই হয়নি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত তাঁকে অপেক্ষা করতে হবে।
এদিকে একাধিকবার তাঁকে তলব করে সিআইডি। কিন্তু সিআইডি-র ডাকে সাড়া দেননি ঋতব্রত। ফলে তাঁকে গ্রেফতারির সম্ভাবনা বাড়ছে। গোয়েন্দারা তাঁর খোঁজে দিল্লিতে গিয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এর মধ্যে ঋতব্রত আগাম জামিন পেয়ে যাবেন বলে আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু শুনানি না হওয়ায় তিনদিন তাঁকে অপেক্ষা করতে হবে। নম্রতার আইনজীবী জানান, তাঁদের কাছে সমস্ত তথ্য রয়েছে। তা আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট বলেই মনে করছেন আইনজীবীরা।












Click it and Unblock the Notifications