এসএসকেএমে এসেও শোভনের দেখা পেলেন না রত্না! গভীর রাতে উডবার্ন ওয়ার্ড থেকে বেরলেন বৈশাখী
নারদ মামলায় টানাপোড়েন তুঙ্গে! জামিন মিলবে কি না তা নিয়ে যখন সরগরম রাজ্য-রাজনীতি তখন ফের একবার সামনে চলে এল রত্না-শোভন-বৈশাখীর ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন।
নারদ মামলায় টানাপোড়েন তুঙ্গে! জামিন মিলবে কি না তা নিয়ে যখন সরগরম রাজ্য-রাজনীতি তখন ফের একবার সামনে চলে এল রত্না-শোভন-বৈশাখীর ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন।
বর্তমানে এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন শোভন চট্টোপাধ্যায়।

জেল না বেল...তা নিয়ে আদালতে আইনি যুদ্ধ চলছে। গোটা রাজ্যের মানুষ এখন তাকিয়ে আদালতের দিকে। আর এর মধ্যেই কার্যত বোমা ফাটালেন 'প্রেমিক' শোভন। শোভনের আইনজীবী হাসপাতালের সুপারকে চিঠি দিয়ে বলেছেন, 'শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ডায়াবেটিস, হাইপার টেনশন-সহ অন্যান্য অসুখ রয়েছে।
শোভন চট্টোপাধ্যায় ও রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা চলছে। এই পরিস্থিতিতে রত্না চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর সঙ্গীরা এসএসকেএমে এলে বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে। যা শোভন চট্টোপাধ্যায়কে চরম উৎকণ্ঠায় ফেলতে পারে। এই অবস্থায় আমি আপনার কাছে আনুরোধ করছি, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের অনুমতি ছাড়া রত্না চট্টোপাধ্যায়কে যেন তাঁর সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া না হয়। কার্যত কাহিনী মে রীতিমত টুইস্ট! রত্না চট্টোপাধ্যায়ও পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন।
তিনি বলেছেন, 'হাসপাতালে বৈশাখী কী করে দেখা করে, সেটা আমি দেখছি। আমার ছেলে-মেয়ে ওদের বাবার সঙ্গে দেখা করবে। আর কেউ না।' জানা যায় এরপরেই এসএসকএমে পৌঁছে যান রত্না। উডবার্ন ওয়ার্ডের ভিতরেও ঢোকেন। কিন্তু শোভনের সঙ্গে দেখা হয় কিনা জানা যায়নি।
তবে বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ঘরে ছিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। রাত প্রায় সাড়ে ১২টা নাগাদ উডবার্ন ওয়ার্ড থেকে বের হন তিনি। জানা যায়, সমস্ত ওষুধ দিয়েই সেখান থেকে বের হন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications