দিদি, আপনাকে কিছু বলতে চাই! ফেসবুক পেজকে হাতিয়ার করে বিস্ফোরক জবাব বাবুলের
করোনার বাড়বাড়ন্তে ভোট প্রচারে রাশ টানা হয়েছে। কিন্তু একে অপরকে দোষারোপের পালা থামছে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানার পর পাল্টা দিতে নিজের ফেসবুক পেজকে বেছে নিলেন বি্জেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।
করোনার বাড়বাড়ন্তে ভোট প্রচারে রাশ টানা হয়েছে। কিন্তু একে অপরকে দোষারোপের পালা থামছে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানার পর পাল্টা দিতে নিজের ফেসবুক পেজকে বেছে নিলেন বি্জেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। সেখানে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতার রাজনৈতিক আক্রমণের মান ও বাচনভঙ্গি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

বাবুল সুপ্রিয় বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যখন বক্তা হন, তখন তাঁর রাজনৈতিক বাচনভঙ্গি ও রাজনৈতিক আক্রমণের একটা মান থাকে। আমাকে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী দীর্ঘ সময় ব্যয় করেছেন। আমি তাতে আপ্লুত। আমারও দিদিকে কিছু বলার আছে, সেটাও বললাম শুনবেন।
বাবুল সুপ্রিয় বলেন, প্রতি পদে পদে আপনি আমাকে বাধা দিয়েছেন। প্রত্যক্ষভাবে আপনার বিরুদ্ধে আমি লড়ছি। আমি যদি পালিয়ে যেতে চাইতাম, তাহলে আসানসোল থেকে টালিগঞ্জে যেতাম না। উল্লেখ্য, মমতা আসানসোলে গিয়ে বলেছিলেন- আপনারা বাবুল সুপ্রিয়কে ভোট দিয়েছিলেন। এখন বাবুল টালিগঞ্জে চলে গিয়েছেন। টালিগঞ্জের লোকেরা বলছে, হায় হায় একি করলি, আসানসোল থেকে পালিয়ে এলি।
মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, বাবুল সুপ্রিয় একজন শিল্পী হয়ে মিথ্যা কথা বলে। এটা আমি কখনও দেখিনি। তার উত্তরে বাবুল বলেন, আমি সত্যি কথাই বলি। আপনার সেটা মিথ্যা মনে হয়। আপনি যেগুলো মিথ্যা বলেন, তার বিরুদ্ধে বলি বলেই আপনার আমার কথা মিথ্যা মনে হয়। আর আমি যে আসানসোলের মানুষের হয়ে সত্যিটাই বলতাম, তা তো জিতেন্দ্র তিওয়ারিও বলে দিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রী ওই সভা থেকে বলেছিলেন বিজেপির ঠাকুর দাদা বাংলায় আসতে পারবেন না। বাবুল তার উত্তরে বলেন, দিদি এটা কলতলা নয়, এটা মঞ্চ। ভাষাটা যদি ভালো রাখতেন. তবে শুনতে ভালো লাগত। যেখানে পারব, সেখানেই লড়ব। যেখানে যাব, সেখানেই হারাব। শুধু ২ মে টালিগঞ্জে কী হয়, আপনি দেখবেন।












Click it and Unblock the Notifications