‘খোলা হাওয়া’র পালে উঠল বিতর্কের ঝড়, রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে তৃণমূল বনাম বিজেপির দ্বন্দ্ব
বিতর্কের ঝড় উঠল রবীন্দ্রজয়ন্তী উৎসবকে নিয়ে। 'খোলা হাওয়া' নিয়ে তৃণমূল বনাম বিজেপি দ্বন্দ্ব এবার রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক ডেকে আনল। বিজেপি 'খোলা হাওয়া'র তরফে অনুষ্ঠানের আয়োজন করতেই গর্জে উঠলেন তৃণমূলের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তিনি দাবি করলেন এই সংগঠন তাঁর তৈরি।
বাবুল সুপ্রিয় এদিন বলেন, 'খোলা হাওয়া' সংগঠনটি তৈরি করেছিলেন তিনি। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্যসভা সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তকে নিয়ে তিনি এই সংগঠন তৈরি করেছিলেন। এখন 'খোলা হাওয়া' সংগঠনটি ৯ মে নোবেল বিজয়ী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উদযাপন করতে যে পোস্টার দিয়েছে, সেখানেই রয়েছে বিতর্ক।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে শুধু বিজেপির সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তের নাম। বাবুল সুপ্রিয়ের নাম নেই সেখানে। বাবুল সুপ্রিয় বর্তমানে বিজেপিতে নেই, তৃণমূলে রয়েছেন। ফলে সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা হয়েও তাঁর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। আর তা নিয়ে বিতর্ক উসকে দিলেন স্বয়ং বাবুল।
খোলা হাওয়া সংগঠনটি রবীন্গ্রজয়ন্তী উদযাপনের পোস্টার দিয়ে জানিয়েছেন, এই অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে থাকবেন অমিত শাহ ও শুভেন্দু অধিকারী। তারপরই বিজেপির প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ তথা বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেসের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় আসল সত্যি সামনে এনে দিয়েছে।

তিনি টুইট করে জানিয়েছেন, ভারতীয় জনতা পার্টিতে তিনি কত অনেক 'অবদান' রেখে গেছেন। তা মিথ্যা দিয়ে ভোলাবেন কী করে। যে সংগঠন রবীন্দ্র-অনুষ্ঠানের আয়োজক, তা যে তারই তৈরি। টুইটারে বাবুল বাংলায় লিখেছেন, এই 'খোলা হাওয়া' নামক সংগঠনটি তিনি তৈরি করেছিলেন প্রাক্তন বিজেপি রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তকে নিয়ে।
"খোলা হাওয়া নাম, লোগো এমনকী লেটারহেডটি আমি এবং আমার বন্ধু শিল্পী অভিজিৎ তৈরি করেছেন। অঞ্জনা বসু, শঙ্কু পাণ্ডাও এতে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। আর দিলীপ দা মানে দিলীপ ঘোষ এর বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। আবার বাবুলের দাবির পাল্টা বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পান্ডা একটি ফেসবুক পোস্ট করেছেন।

তিনি বলেন, গায়ক বাবুল এখনও বিজেপিকে মিস করছেন। তিনি বলছেন, এই সংগঠন তৈরির পেছনে তাঁর হাত রয়েছে। বাবুল টিএমসির বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি গানও লিখেছিলেন। কিন্তু তারপরে 'সুযোগ' বুঝে তিনি টিএমসিতে চলে যান। তবে তিনি একজন গায়ক হিসেবে এই অনুষ্ঠানে এসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা গান গাইতেই পারেন।
শঙ্কু বলেন, এটা রাজনীতির বাইরের প্লাটফর্ম হওয়ায় আমরা তাঁকে উন্মুক্ত আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। জানি না বাবুলের বর্তমান রাজনৈতিক দল তাঁকে তা করতে দেবে কি না। এই বলে তিনি খোঁচাও দিতেও ছাড়েননি বাবুলের বর্তমান দল আর তাঁর নিজের পুরনো দল তৃণমূলকে।












Click it and Unblock the Notifications