মুকুলের পদ খারিজ মামলার মাঝে বাবুলের ইস্তফা বিতর্কে শান বিজেপির, পাল্টা জবাব টুইটে
বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যাওয়া মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের জন্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আইনি লড়াইয়ের আশ্রয় নিয়েছেন।
বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যাওয়া মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের জন্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আইনি লড়াইয়ের আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু বাবুল সুপ্রিয় বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে গিয়ে সাংসদ পদ ছাড়তে চাইছেন তাঁকে সময় দেওয়া হচ্ছে না, অযথা কালবিলম্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।

সাংসদ পদ থেকে ইস্তফায় বিলম্ব বাবুলের
বাবুল সুপ্রিয় তৃণমূলের যোগ দেওয়ার পরই বলেছিলেন, তিনি সাংসদ পদ ছেড়ে দেবেন। তারপর তিনি দিল্লিও গিয়েছিলেন সাংসদ পদ থেকে ইস্থফা দেওয়ার জন্য। কিন্তু লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সময় না পেয়ে তাঁকে ফিরে আসতে হয়। ফলে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া হয়ে ওঠেনি বাবুল সুপ্রিয়র।

স্পিকার সময় দিলেই সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা
বাবুল সাফ জানিয়ে দিয়েছেন স্পিকার সময় দিলেই তিনি সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবেন। সম্প্রতি বাবুলের সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। লোকসভার সচিবালয়কে উদ্ধৃত করে জানানো হয়েছে বাবুল সুপ্রিয় সাংসদ পদ ছাড়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করে লোকসভার স্পিকারের কার্যালয়ে কোনও ফোন করেননি।
|
লোকসভার সচিবালয় বিবৃতির পাল্টা চিঠি টুইটে
লোকসভার সচিবালয় সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, শনিবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত দিল্লিতে থাকছেন স্পিকার। প্রয়োজবনে সেই সময় স্পিকারের সময় চাইতে পারেন বাবুল সুপ্রিয়। সংবাদসংস্থার টুইটে এই বিবৃতি প্রকাশের পরই বাবুল সুপ্রিয় পাল্টা টুইট করেন। টুইট করে তিনি চিঠিটি পোস্ট করেন। যে চিঠি লোকসভার স্পিকারের উদ্দেশে লিখেছিলেন বাবুল।

বাবুল আবার চিঠিতে স্ট্যাম্প বিতর্কে
তবে বাবুলের পোস্ট করা চিঠিতে কোনও স্ট্যাম্প নেই। তা নিয়েও বিতর্ক হয়। বাবুল পাল্টা জানান, চিঠিতে কেন স্ট্যাম্প দেওয়া হয়নি, সে বিষয়ে তাঁর কোনও ধারণা নেই। তবে স্পিকারের কার্যালয়ে যে চিঠি গৃহীত হচ্ছে, তাতে স্ট্যাম্প মারতে বলার আর্জি জানানো শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না বলেই আমি মনে করি।

সাংসদ পদে ইস্তফায় বিলম্বের কারণ জানান বাবুল
বাবুল সুপ্রিয় বলেন, বারবার চিঠি দেওয়া হয়েছে। সংসদ পদ ছাড়তে চেয়ে স্পিকারের সময় চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছে। কিন্তু সময় মেলেনি স্পিকারের দফতর থেকে। সেই চিঠিই টুইট করে সাংসদ পদে ইস্তফায় বিলম্বের কারণ জানান আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়। বাবুল দলবদলের সময় বলেছিলেন সমস্ত নিয়ম মেনেই তিনি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। ছেড়ে দেবেন সাংসদ পদও।

মুকুলের পর বাবুলের ইস্তফা নিয়ে অন্য বিতর্ক
একুশের নির্বাচনের পরে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে কিছু মেগা যোগদান হয়েছে। তার মধ্যে যেমন মুকুল রায় রয়েছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে রয়েছেন বাবুল সুপ্রিয়ও। মুকুল রায়ের দলবদলের পর তাঁর বিধায়ক পদ খারিজ নিয়ে নানা দ্বন্দ্ব চলছে। তাঁকে পিএসি কমিটির চেয়ারম্যান করা নিয়েও দ্বন্দ্ব চরমে। তা নিয়ে হাইকোর্টে পর্যন্ত গড়িয়েছে লড়াই। এদিকে বাবুলের ইস্তফা নিয়েও বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে।












Click it and Unblock the Notifications