কেন্দ্রের বঞ্চনায় মমতার চিঠি, বাবুলের জবাবে ঝালমুড়ি থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট প্রসঙ্গ
কেন্দ্রের বঞ্চনায় মমতার চিঠি, বাবুলের জবাবে ঝালমুড়ি থেকে ইস্ট-ওয়েস্ট প্রসঙ্গ
ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঝালমুড়ি খাওয়ার প্রসঙ্গ টেনে এনে রাজ্য সরকারকে দুষলেন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। রাজ্যের আনা কেন্দ্রের বঞ্চনার অভিযোগের প্রতিবাদ তিনি বলেন, সেদিন ঝালমুড়ি খেয়েছিলাম রাজ্যের স্বার্থে। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার রাজ্যের স্বার্থের তোয়াক্কা করেননি। তাই নিজেরা রাজ্যের কথা ভেবে কেন্দ্রের সঙ্গে সখ্যতা বজায় রাখে না।

বাবুলের কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। বরং উল্টোটাই ঘটেছে। কেন্দ্র বকেয়া রেখেছে, তা নয়। রাজ্য সরকারই কোটি কোটি টাকা ফিরিয়ে দিয়েছে। কারণ কোনও কাজেরই টেন্ডার, ডিপিআর বা ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে না। স্বভাবতই কেন্দ্রের টাকা এসেও ফিরে যাচ্ছে।
শুক্রবার বিজেপির সদর কার্যালয়ে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে একটি যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করেন।
সেখানেই তিনি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মমতার বঞ্চানার অভিযোগ নস্যাৎ করেন। এই মর্মে তিনি দফায় দফায় পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। ২০১৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত আরও ৩৮টি প্রজেক্টের জন্য ২৮০০ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়।
বাবুলের পাল্টা অভিযোগ, রাজ্য সরকার কোনও টাকাই ব্যবহার করতে পারেনি। তাই কেন্দ্রের টাকা আসছে, কিন্তু সঠিক কাগজপত্র না থাকায় সেই টাকা ফেরত যাচ্ছে। এটা কেন্দ্রের বঞ্চনা নয়, এটা রাজ্যের ব্যর্থতা। রাজ্য এই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে এলেই সমাধান হয়ে যাবে।
এই সমস্যার সমাধান হবে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের আলোচনার মাধ্যমে। তাই রাজ্যকে এইসব উদ্ভট অভিযোগ থেকে সরে এসে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে। প্রকল্পের সঠিক নথিপত্র থাকলে অবশ্যই টাকা নিয়ে বিতর্কের অবসান হবে। এছাড়াও তাঁর দাবি, রাজ্যের হিসেবে গরমিল আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠিতে যে ৫০ হাজার কোটি টাকা ঘাটতির অভিযোগ করেছেন, তার অনেক টাকাই বাদ যাবে। আরও নথি জোগাড় করছি, সবই প্রমাণ সাপেক্ষে দেখিয়ে দেব। এদিন ঝালমুড়ি দিয়ে শুরু করে ইস্টওয়েস্ট মেট্রো প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন তিনি।
তিনি বলেন, ইস্ট-ওয়েস্ট প্রকল্পে জমি-জট কাটানোর জন্য মু্খ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ। তবে নতুন করে জট পাকালে তিনি ছেড়ে কথা বলবেন না বলেও হুঁশিয়ারি দেন। আর মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ প্রসঙ্গেও তাঁর যুক্তি, প্রোকোটল মেনেই আমন্ত্রণপত্র ছাপানো হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে না ডাকার পিছনে কোনও রাজনীতি নেই।












Click it and Unblock the Notifications