দেব - মিঠুনকে দিনের পর দিন আক্রমণ, নিজে সৌজন্যের রাজনীতি দেখাতেই ছাঁটা পড়লেন কুণাল?
দীর্ঘদিন ধরেই আক্রমণাত্মক মন্তব্য করে চলেছেন কুণাল ঘোষ। মিঠুন চক্রবর্তী সম্পর্কেও একাধিক বিরোধী মন্তব্য করেছেন কুণাল। তৃণমূলের সাংসদ দেবকেও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন তিনি। আজ বুধবার এই কুণাল ঘোষই সৌজন্যের রাজনীতি করে অপসারিত হলেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে।
মিঠুন চক্রবর্তী তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছেন অনেক বছর হল। এই কয়েক বছরে একাধিকবার কুণাল ঘোষ মিঠুন চক্রবর্তীকে আক্রমণ করেছেন। মিঠুন চক্রবর্তী কুণাল ঘোষের নাম শুনলেও বিরক্তি প্রকাশ করেন। দেব মিঠুন চক্রবর্তীকে নিয়ে একাধিক সিনেমা সাম্প্রতিক অতীতে করেছেন। তাই নিয়েও যথেষ্ট ক্ষোভ প্রকাশ করেন কুণাল ঘোষ।

দেব সৌজন্যতার রাজনীতি করেন। মিঠুন চক্রবর্তী তাঁর বাবার মতো। প্রয়োজনে দেব নিজেও মিঠুন চক্রবর্তীকে কিডনি দিতে পারেন। এই কথা শোনা গিয়েছে। সেই সৌজন্য রাজনীতি নিয়েও কুণাল ঘোষ আক্রমণ করেছিলেন। যদিও দেব সেই বিষয়ে তেমন কোনও মন্তব্য করেননি। তিনি তাঁর মতো রাজনীতি করছেন। এমনই বক্তব্য রেখেছিলেন দেব।
এবার তাপস রায়কে দেখে সৌজন্য রাজনীতি করতে গিয়েছিলেন কুণাল ঘোষ। মধ্য কলকাতার অরাজনৈতিক মঞ্চ রক্তদান শিবিরের। সেখানেই বক্তব্য রেখেছিলেন কুণাল ঘোষ। তাপস রায় সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তাপস রায় যোগ্য প্রার্থী। এছাড়াও একাধিক বিষয়ে বক্তব্য রাখেন কুণাল।
আর তারপরেই রীতিমতো ক্ষোভের খাঁড়া নেমে এলো কুণাল ঘোষের উপরে। তৃণমূল তাঁকে রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দিল। বুধবার দুপুর থেকেই কলকাতার রাজনীতিতে চলল এক টানাপোড়েন পর্ব।
কুণাল ঘোষ সন্ধ্যাবেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করেছেন। সেখানেও দেবের মিঠুন চক্রবর্তী সম্পর্কে সৌজন্যতার রাজনীতি ইস্যু হয়েছে। কুণাল ঘোষ নিজে সেই মন্তব্য করেছেন। দেবকে দিনের পর দিন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কুণাল ঘোষ। এবার নিজেই কি সৌজন্যের রাজনীতি দেখাতে গিয়ে পদ খুঁইয়ে ফেললেন? প্রশ্ন উঠছে।












Click it and Unblock the Notifications