Assembly: দুদিন বিজেপিতে এসেছেন, বাংলার সংস্কৃতিকে অপমান করছেন! কাকে নিশানা মমতার
মণিপুর ইস্যুতে দিনভর উত্তাল হল বাংলার বিধানসভায়। বাংলার বিধানসভায় মণিপুর নিয়ে আলোচনা চাওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোর বিরোধিতা করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে বিজেপি অন্যান্য বিধায়করা। মমতার বক্তব্য বেশের সময় হট্টগোল শুরু করেছিলেন।
তার পাল্টা বিজেপিকে নিশানায় গর্জে ওঠেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মণিপুর ইস্যুতে বাংলার বিধানসভার মধ্যেই দু-পক্ষের মধ্যে তীব্র বাদানুবান শুরু হয়। শুরু হয় যুক্তি-তর্ক। এরই মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দুদিন বিজেপিতে এসেছেন, বাংলার সংস্কৃতিকে অপমান করছেন!

কাকে নিশানা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? ঠিকই ধরেছেন মমতা বন্যোরুপাধ্যায়ের নিশানায় ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এক সময়ে তাঁর ডানহাত। তিনিই এখন তাঁর বিরোধী আসনে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মণিপুর ইস্যুতে আলোচনা প্রস্তাবের বিরোধিতায় তিনি বাংলার মহিলাদের উপর নির্যাতনের কথা তুলে ধরেছিলেন।
বিজেপির তরফ থেকে জানানো হয়, মণিপুর নিয়ে তাঁরা তখনই আলোচনায় অংশ নেবেন যখন, বাংলায় নারী নির্যাতন নিয়েও আলোচনা হবে। তারপরই তীব্র হট্টগোল শুরু করেন তাঁরা। এরপর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকার প্রশ্ন তোলেন, অন্য রাজ্যের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে এই রাজ্যের বিধানসভায় কি আলোচনা করতে পারি।
এই পরিস্থিতিতে তিনি সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। তাঁর প্রশ্ন ছিল, আর কতদিন অপমানিত হবেন বাংলার মহিলারা। মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে তিনি বলেন, বাংলার দিকে না তাকিয়ে আপনি সদূর মণিপুরের দিকে তাকাচ্ছেন। তবে কি বাংলায় মহিলাদের উপর অত্যাচার নিয়ে উত্তরপ্রদেশ ও অন্যান্য বিজেপিশাসিত রাজ্যে আলোচনা হবে! তাতে কি বাংলার মান থাকবে?

এরপরই তিনি বিরোধী দলনেতাকে একহাত নেন। বিরোধী দলনেতাকে উদ্দেশ্য করে মমতা বলেন, দুদিন বিজেপিতে এসেই প্রতিদিন বাংলার সংস্কৃতিকে অপমান করছেন। বেশি জ্ঞান দেবেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু ছাড়াও একহাত নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মণিপুর সামলাতে শোচনীয় ব্যর্থ প্রধানমন্ত্রী। তিনি বিদেশে যেতে পারেন, মণিপুরে যান না। মণিপুর নিয়ে তিনি নীরব। তারপরই তিনি বলেন, আপনারা যদি মণিপুর শান্ত করতে না পারেন, আমাদের দায়িত্ব দিন। এমনকী মণিপুর ইস্যুতে যাঁরা আলোচনায় বাধা দিচ্ছেন তাঁদের দেশদ্রোহী বলতেএ দ্বিধা করেননি মমতা।












Click it and Unblock the Notifications