অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে আক্রান্ত পুলিশ, শিকল দিয়ে বেঁধে রেখে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হল এএসআইয়ের
অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে আবার আক্রাম্ত হলেন পুলিশ আধিকারিক। শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হল খোদ পুলিশকেই। শিকল ও দড়ি দিয়ে বেঁধে তাঁকে রাতভর মারধর করা হয়।
উত্তর দিনাজপুর, ২৮ অক্টোবর : অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে আবার আক্রাম্ত হলেন পুলিশ আধিকারিক। শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হল খোদ পুলিশকেই। শিকল ও দড়ি দিয়ে বেঁধে তাঁকে রাতভর মারধর করা হয়। গ্রামবাসীরা মেরে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। অভিযুক্ত হজরত আলিকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় গ্রামবাসীরা পাল্টা ধাওয়া করে ধরে ফেলে মালদহ পুলিশের ওই এএসআইকে। মঙ্গলবার সকালে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ থানার পুলিশ এসে উদ্ধার করে তাঁকে।
মালদহের এএসআই নূরুল ইসলাম উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে এসেছিলেন অভিযুক্তকে ধরতে। শুধু তিনি নন, ১০-১২ জনের একটা দল রায়গঞ্জে অভিযুক্তের বাড়িতে হানা দিয়েছিল। অভিযুক্ত হজরত আলিকে ধরে নিয়ে যাওয়ার সময় গ্রামবাসীরা পুলিশকে ধাওয়া করে। অন্যরা দু'টি গাড়িতে করে পালাতে সমর্থ হলেও গ্রামবাসীরা ধরে ফেল নুরুল ইসলাম নামে ওই পুলিশ আধিকারিককে।

তারপর শিকল ও দড়ি দিয়ে আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে মারধর শুরু হয় তাঁকে। তাঁর কোনও কথাবার্তাতেই আমল দেননি গ্রামবাসীরা। সকালেই খবর যায় উত্তর দিনাজপুর পুলিশের কাছে। উত্তর দিনাজপুর পুলিশ খোঁজখবর নিয়ে জানত পারে ধৃত ব্যক্তি মালদহ পুলিশের এএসআই। কিন্তু এই অভিযানের ব্যাপাএর মালদহ পুলিশ ওয়াকিবহাল ছিল না বলে জানানোয় ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। রায়গঞ্জ থানার পুলিশ এএসআইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
খতিয়ে দেখা হচ্ছে কেন উত্তর দিনাজপুর পুলিশ ও মালদহ জেলা পুলিশকে না জানিয়ে এই অভিযানে সামিল হয়েছিল পুলিশের ওই দল।












Click it and Unblock the Notifications