বাংলার ভোটে প্রার্থী দিচ্ছে হায়দরাবাদী মিম, নবাব-গড়ে কি প্রভাব পড়বে ওয়েইসির
রাজ্যে ভোট শুরু হয়ে গেলেও মিম প্রার্থী দিয়েছিল না। কিন্তু প্রথম দফা ভোটের শেষেই মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি জানিয়ে দিলেন বাংলার ১৩ আসনে প্রার্থী দিচ্ছেন তিনি।
রাজ্যে ভোট শুরু হয়ে গেলেও মিম প্রার্থী দিয়েছিল না। কিন্তু প্রথম দফা ভোটের শেষেই মিম প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়েইসি জানিয়ে দিলেন বাংলার ১৩ আসনে প্রার্থী দিচ্ছেন তিনি। শনিবার মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘিতে নির্বাচনী জনসভার মঞ্চেই তিনি ঘোষণা করেন দুই আসনে প্রার্থীর নাম। বাকি ১১ আসনে প্রার্থীর নামও শীঘ্রই জানাবেন তিনি।

বাংলায় প্রথম দফা ভোটগ্রহণের দিনই আসাদউদ্দিন ওয়েইসি জানান, মুর্শিদাবাদ জেলার ১৩টি আসনে লড়বেন তারা। আগামী সপ্তাহেই বাকি ১১ আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে। বিহারের নির্বাচনে সাফল্য পাওয়ার পরই মিম প্রধান বাংলার নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু বাংলার মিম ইউনিটে ভাঙনে তাঁকে পিছপা হতে হয়।
বাংলায় মিম ভেঙে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁর নেতৃত্বেই বাংলার নির্বাচনে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছিলেন ওয়েইসি। সেজন্য তিনি ফুরফুরা শরিফেও দরবার করেছিলেন। শেষপর্যন্ত হায়দরাবাদের মিমের ভরসায় না থেকে বাম-কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেছে আব্বাস সিদ্দিকির আইএসএফ।
এরপর বাংলায় প্রার্থী দেবেন কি না ধন্দে পড়ে যান। এরপর কলকাতা পুলিশের অনুমতি না মেলায় মেটিাবুরুজে ওয়েইসির সভা বাতিলের পর ফের তিনি ঘোষশণা করেন, বেশ কিছু আসনে তিনি প্রার্থী দেবেন। এরপর এদিন ভোট শুরু হয়ে যায়। অবশেষে মিম প্রধান দুই আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেন।
সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদ জেলায় তিনি এবার প্রার্থী দিচ্ছেন। সাগরদিঘি থেকে প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করে অধীর-গড়ে তিনি লড়াই জমিয়ে দিলেন। মুর্শিদাবাদের মুসলিম ভোটাররা মিমকে কতটা গ্রহণ করেন, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। একদিকে আব্বাস সিদ্দিকির আইএসএফ সম্বলিক সংযুক্ত মোর্চা অন্যদিকে মিম তৃণমূল বনাম বিজেপির যুদ্ধে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে তা-ই দেখার।












Click it and Unblock the Notifications