বাংলায় দিদিমণির বাজার শেষ, ৬ মাসের মধ্যে সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি অর্জুনের
আবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন একসময়ে তাঁর অনুগত সৈনিক বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং।
আবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন একসময়ে তাঁর অনুগত সৈনিক বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। তাঁর শ্যালক নোয়াপাড়ার বিধায়ক সুনীল সিংয়ের তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান প্রসঙ্গে অর্জুন সিং বলেন, দিদিমণির বাজার শেষ। তৃণমূল কংগ্রেসের নাম-নিশান আর কিছুই থাকবে না।

প্রার্থী বিতর্কে দলত্যাগ অর্জুনের
লোকসভা ভোটের আগে প্রার্থী বিতর্কে দল ছাড়েন অর্জুন সিং। তিনি দীনেশ ত্রিবেদীর পরিবর্তে প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন তৃণমূলের টিকিটে। তাঁকে টিকিট না দেওয়ায় বিজেপিতে নাম লিখিয়ে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হন। সেই যে ভাঙনের সূত্রপাত উত্তর ২৪ পরগনা, প্রতিনিয়ত তৃণমূলের রক্তক্ষরণ চলছে।

সুনীল সিংয়ের যোগদানে শক্তিক্ষয়
সোমবার দিল্লিতে বিজেপি সদর দফতরে পদ্ম পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন নোয়াপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক সুনীল সিং। মুকুল রায় ও কৈলাশ বিজয়বর্গীয়দের হাত ধরে তিনি যোগ দেন বিজেপিতে। সঙ্গে ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলর। আরও চারজন কাউন্সিলর দল ছাড়েন। এর ফলে গারুলিয়া পুরসভার দখল হারায় তৃণমূল কংগ্রেস।

সুনীলের দলত্যাগের পরই অর্জুনের হুঙ্কার
তারপরই অর্জুনের হুঙ্কার, একে একে সব পুরসভায় তৃণমূল মুছে যাবে, পঞ্চায়েতেও তৃণমূল থাকবে না। বিধায়করা তো দল ছাড়ার লাইন দিয়ে দিয়েছেন। এই ভাঙন রেখা স্পষ্ট করে দিচ্ছে দিদিমণির বাজার শেষ। শুধু এখানেই শেষ নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকেও কটাক্ষ করতে তিনি ছাড়েননি।

রাষ্ট্রপতি শাসন জারির প্রয়োজনই নেই
তিনি বলেন, রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির কোনও প্রয়োজনই নেই। কারণ যে হারে দলে ভাঙন ধরেছে, ৬ মাসের মধ্যে রাজ্যের সরকার পড়ে যাবে। দিদিমণির সরকারও চলবে না, দিদিমণির দলও থাকবে না। তাই মিছে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে আর কী হবে, এক বছরের মধ্যে রাজ্যে ভোট অবধারিত।












Click it and Unblock the Notifications