পিসি-ভাইপোর দলকে এক মাসে কত টাকা তোলা দেন জ্যোতিপ্রিয়, জানালেন অর্জুন সিং
পিসি-ভাইপোর ‘কোম্পানি’কে ৭০ কোটি তোলা দিতে হয় মাসে! বিস্ফোরক অভিযোগ অর্জুনের
বিজেপি প্রথম দিন থেকে বলছে রাজ্যের রেশন ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। এজন্য বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে দায়ী করলেন না, তিনি দায়ী করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এই রেশন দুর্নীতির মূল নায়ক বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সমান দায়ী করলেন ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও।

মুখ্যমন্ত্রীই রেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার জন্য দায়ী
অর্জুনের কথায়, বাংলার মুখ্যমন্ত্রীই রেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার জন্য দায়ী এই কারণেই যে, এই খাত থেকে মাসে ৭০ কোটি টাকা দিতে পিসি-ভাইপোর প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানিকে দিতে হয়। অযথা খাদ্য দফতরের সচিবকে কম্পালসারি ওয়েটিং-এ পাঠিয়ে দেওয়া হল। কিন্তু তাঁর কিছু করার ছিল না।

রেশন ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে রাজ্যে
তিনি অভিযোগ করেন, আজ যে রেশন পাচ্ছেন এটা মার্চ মাসের। সবাই দেখতে পাচ্ছেন রাজ্যের রেশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এফসিআইয়ের চাল নিয়ে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। এফসিআইয়ের চাল রাইস মিলের গোডাউনে পাওয়া যাচ্ছে। সেখানে চেঞ্জ হচ্ছে। রেশনে চাল পাচ্ছেন না। যেখানে অভিযোগ হচ্ছে, সেখানেই সমস্যার বাতাবরণ।

রাজ্যে নৈরাজ্য রেশন থেকে পুলিশ-হাসপাতালেও
অর্জুন আরও বলেন, শুধু রেশন ব্যবস্থাই নয়, ভেঙে পড়েছে পুলিশ ব্যবস্থা, ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাও। হাসপাতাল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, লাশ রাতের বেলায় পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলের লোকই প্রতিবাদ করছে। তাঁকেও গ্রেফতার করা হচ্ছে। এই অবস্থা চলছে রাজ্যে।

অর্জনের চ্যালেঞ্জ তৃণমূলকে
অর্জুন অভিযোগ করেন, প্রত্যেক তৃণমূল নেতার ঘরে রেশনের চাল মজুত করা আছে। এমন কোনও নেতা নেই, যাঁর ঘরে রেশেনর চাল মজুত করা নেই। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি। তাঁর অভিযোগ, বাংলায় বহু রকমের রেশন চলে। একটা পিসির রেশন, একটা ভাইপোর রেশন। তাই আমরা প্রতিবাদে নেমেছি।

ফিরহাদের জবাব
অর্জুনের এই কথার প্রত্যুত্তরে বলেন, এর জবাব রাজ্য সরকার দেবে। বিজেপি রাজনীতি করছে। রেশন ব্যবস্থা একটা বিরাট ব্যবস্থা। কোনও কোনও জায়গায় সমস্যা হচ্ছে। আমরা তা মেটানোর চেষ্টা করছি। কিন্তু এই সংকট সময়ে এভাবে রাজনীতির বিষ ছড়ানোর কোনও অর্থ হয় না।












Click it and Unblock the Notifications