ডিএ মামলায় নতুন ধোঁয়াশা! বকেয়া ভাতা কী পাবেন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীরা? জল্পনা তুঙ্গে
বকেয়া মহার্ঘ ভাতা অথবা ডিএ নিয়ে আবারও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে রাজ্যে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত মনিটরিং কমিটি ইতিমধ্যেই প্রাপকদের একটি হিসেব আদালতে জমা দিয়েছে। কিন্তু সেই তালিকায় আবার সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের নাম না থাকায় শুরু হয়েছে জল্পনা।

অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে তৈরি পাঁচ সদস্যের কমিটি ইতিমধ্যেই দুই দফা বৈঠক করেছে। প্রথম বৈঠক ২০ ফেব্রুয়ারি এবং দ্বিতীয় বৈঠক ২৮ ফেব্রুয়ারিতে হয়। সেই বৈঠকে মূলত রাজ্যের কর্মরত সরকারি কর্মচারী এবং অবসরপ্রাপ্তদের বকেয়া ডিএ কীভাবে মেটানো হবে, তা নিয়েই আলোচনা হয়।
রাজ্য সরকারের তরফ থেকে আদালতে জানানো হয়েছে যে, বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মেটানোর জন্য চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় প্রয়োজন। তবে প্রথম কিস্তি কীভাবে এবং কবে দেওয়া হবে, তা নিয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট রূপরেখা সামনে আসেনি।
এইরকম পরিস্থিতিতে শিক্ষক সংগঠনগুলির মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ। 'শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ'-এর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী দাবি করেছেন যে, সরকারের হিসেব থেকে মনে হচ্ছে সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া ডিএ দেওয়ার এই বিষয়টি আপাতত বিবেচনায় রাখা হয়নি।
তবে মামলার এতে যুক্ত এক আইনজীবীর মতে, মূলত এই মামলাটি সরকারি কর্মচারীদের সংগঠনের করা। তাই প্রথম ধাপটিতে তাঁদের হিসেবই সামনে এসেছে। পরে রাজ্য সরকার যদি 'ম্যাচিং' বিজ্ঞপ্তি জারি করে, তাহলে স্কুল এবং কলেজের শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীরাও বকেয়া ডিএ পাওয়ার অধিকারী হতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications