অনুব্রতর মুখে আর শোনা যাচ্ছে না চোখা চোখা ডায়লগ! তবে একুশের 'টোটকা' তৈরি
২০১৯-এর আগের অনুব্রত মণ্ডল আর ২০২১-এর আগের অনুব্রত মণ্ডলের বিস্তর ফারাক। এখন আর আগের মতো তাঁর মুখে ডায়লগের ফুলঝুরি ফোটে না। তিনি এখন অনেক বেশি সাবধানী, অনেক বেশি সতর্ক।
২০১৯-এর আগের অনুব্রত মণ্ডল আর ২০২১-এর আগের অনুব্রত মণ্ডলের বিস্তর ফারাক। এখন আর আগের মতো তাঁর মুখে ডায়লগের ফুলঝুরি ফোটে না। তিনি এখন অনেক বেশি সাবধানী, অনেক বেশি সতর্ক। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের দোরগোড়াতেও তিনি টোটকা জানাতে নারাজ। শুধু বললেন, টোটকার সময় এলেই বলে দেব।

সময় আসুক, তারপর বলব
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্য সফর সেরে গেলেন। তার পরিপ্রেক্ষিতেই শনিবার সাংবাদিক বৈঠকে বসেছিলেন বীরভূমের বেতাজ বাদশা তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সেখানেই প্রশ্ন তোলান সাংবাদিকরা- এবার কেষ্টদার টোটকা কী হবে? সোজাসাপ্টা জবাবে তিনি জানান, সময় আসুক, তারপর বলব।

কবে বিয়ে হবে এখনও ঠিক হল না!
অনুব্রত বলেন, কবে বিয়ে হবে এখনও ঠিক হল না, এখন থেকে ভোজ কী হবে বলে দিলে হবে। আগে ভোটের ঠিক হোক, তারপর বলব। এর আগে অনুব্রত মণ্ডল বোম মারা থেকে চড়াম চড়াম বাদ্যি, গুড় বাতাসা, পাঁচনের বাড়ি, রাস্তার ধারে উন্নয়ন, নকুলদানা-সহ কত না হিট ডায়লগ আর টোটকা দিয়েছিলেন অনুব্রত। এবার এখনও পর্যন্ত অনুব্রত নীরব।

নিজেকে পরিবর্তন করে নিয়েছেন অনুব্রত
তা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠেছে, নীরব কেন অনুব্রত মণ্ডল। অনুব্রত মণ্ডল এখন কর্মিসভাতেও অনেক নিরুত্তাপ। অনেক বুঝে শুনে কথা বলেন তিনি। সবাইকে কথা বলার সুযোগ দেন। শান্ত মাথায় সমস্ত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন। ২০২১-এর আগে নিজেকে পরিবর্তন করেই ফের সাফল্যের ধারা ফিরতে চাইছেন তিনি।

প্রশান্ত পরামর্শেই নিজেকে ভেঙে গড়ছেন!
রাজনৈতিক মহল মনে করছে, অনুব্রত মণ্ডলের এই বদলে যাওয়ার পিছনে রয়েছেন ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোর। প্রশান্ত পরামর্শেই তিনি নিজেকে ভেঙে গড়ছেন। বুঝেছেন বড় কিছু পাওয়ার জন্য কখনও কখনও নিজেকে একটু ভাঙতে হয়। সেই কাজ করেই ফের বীরভূমের মাটিতে ঘাসফুল ফোটাতে চাইছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications