অনুব্রতদের ঘাড় থেকে নামিয়ে ফেলা হয়েছে, এবার বালুকে নামানো হবে, কটাক্ষ অধীরের
সিবিআই ডাকার ভয়ে মা ভাই সকলের এখন প্যারালাইসিস হয়ে যাচ্ছে। এত চুরি যখন করেছে তখন কি মনে ছিল না? স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই আক্রমণ করলেন সাংসদ অধীর চৌধুরী। দুর্নীতি ইস্যুতে ফের এক হাত নিলেন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। ফের মহুয়া মৈত্রর পাশেও দাঁড়ালেন তিনি।
শুক্রবার সাংবাদিকদের সামনে অধীর চৌধুরী বলেন, দিদি যে সবটা বাঁচাতে পারবে না, আপনাদের বোঝা উচিত ছিল। দিদির চরিত্র হচ্ছে কাজের সময় কাজি। কাজ ফুরালে পাজি। অনুব্রত মণ্ডল, পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঘাড় থেকে নামিয়ে ফেলা হয়েছে। বালুকে এরপর ঘাড় থেকে নামিয়ে ফেলবে। বালুয়া দুদিন পরে বালি হয়ে যাবে।

জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের উদ্দেশ্যে অধীর চৌধুরী বার্তা দিয়েছেন, "দিদির সঙ্গে ভরসাতে না থেকে আমরা বালুকে বলব, মোকাবিলা যদি করতে পারে তাহলে হিম্মত থাকতে পারে।" রেশন বণ্টন দুর্নীতি নিয়ে অধীরের বক্তব্য, রেশন দুর্নীতি যে হয়েছে সেটা আমরা সবাই জানি। বাংলার গরিব মানুষরা জানে যে তারা বঞ্চিত হয়েছেন। তাদের চাল, আটা চুরি করা হয়েছে।
তার মতে, এজন্য সিবিআই ইডি বিচারপতি কাউকে লাগবে না। বাংলায় চাল কল আটা কলে আজকে তৃণমূলের মালিকানা কতটা আছে? সেগুলো দেখলে বোঝা যাবে।
মহুয়া মৈত্রের পাশে এদিনও দাঁড়িয়েছেন অধীর। তাঁর কথায়, তথ্যপ্রমাণ নেই। তাই ফাঁসি দিয়ে দেওয়া হল। সাংসদ টাকা নিয়েছেন, তার কি কোনও প্রমাণ আছে? ওদের মনে হল, প্রশ্ন যখন করেছে তাহলে টাকা নিয়েছে। ওরা টাকা ছাড়া প্রশ্ন করে না।
এসএসকেএম হাসপাতালে যারা দায়িত্বে আছেন, সরকারি পদে এই সরকারের দাসত্ত্ব করে ক্রীতদাসে রূপান্তরিত হয়েছে। এই কটাক্ষ করেন অধীর চৌধুরী। তাঁর কথায়, "এসএসকেএম গর্ব। চিকিৎসকদের শ্রদ্ধা করি। চিকিৎসকরা আছেন বলেই, আজও বাংলার মানুষ চিকিৎসা পাচ্ছেন। কিন্তু যারা প্রশাসনে আছেন, তারা বাংলার মানুষের সঙ্গে প্রত্যেকদিন অরাজকতা করে চলেছেন।"
এই বাংলাতে বঞ্চিতদের ইতিহাস দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের এই বঞ্চনা আজকে সারা ভারতবর্ষের আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। চাকরিপ্রার্থীরা চাকরি পাচ্ছেন না। এই কথাই বললেন সাংসদ অধীর চৌধুরী।












Click it and Unblock the Notifications