Anubrata Mondal: জামিন পেলেন অনুব্রত মণ্ডল, অবশেষে তিহাড় থেকে মুক্তি হচ্ছে কেষ্টর
জামিন পেলেন অনুব্রত মণ্ডল। বীরভূমের বেতাজ বাদশা অনুব্রত মণ্ডল। ইডির মামলায় জামিন পেলেন তিনি। দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ কোর্ট তাঁকে জামিন দিয়েছে।এর আগে সুপ্রিম কোর্টে সিবিআইয়ের মামলায় জামিন পেয়েছিলেন তিনি। এবার ইডির মামলায় জামিন পেয়েছেন তিনি।
সিবিআইয়ের মামলায় জামিন পেলেও ইডির মামলায় জামিন পাননি বলে জেল বন্দি থাকতে হয়েছে অনুব্রত মণ্ডলকে। কিন্তু এবার ইডির মামলাতেও জামিন মেলায় জেল মুক্তি হচ্ছে অনুব্রত মণ্ডলের। ২০২২ সালে ১১ সেপ্টেম্বর তাঁকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। তারপরে গ্রেফতার করে সিবিআই। অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলকেও গ্রেফতার করে তিহার জেলে রাখা হয়েছিল।

কয়েকদিন আগে সুকন্যা মণ্ডলও জামিন পেয়ে তিহার জেল থেকে বেরিয়ে এসেছেন। এবার অনুব্রত মণ্ডলও জামিন পেলেন। বেশ কয়েকটি শর্তে তাঁকে জামিন দেওয়া হয়েছে। তাতে কেষ্টে বীরভূমে ফিরতে হলেও আগে থেকে আদালতকে জানিয়ে দিতে হবে। অর্থাৎ রাজ্যে ফিরে কোন ঠিকানায় অনুব্রত মণ্ডল থাকবেন তা আগে থেকে জানিয়ে দিতে হবে তদন্তকারীদের। মোবাইল নম্বর আগে থেকে জানাতে হবে আদালতে। এমনবকী পাসপোর্টও জমা রাখতে হবে আদালতে। তদন্ত প্রভাবিত করার মতো কোনও কাজ করা যাবে না। প্রত্যক্ষদর্শীদের প্রভাবিত করা যাবে না।
তবে আজ অর্থাৎ শুক্রবার জেল থেকে ছাড়া পাবেন না তিনি। শনিবার জামিনের কাগজ পৌঁছবে তিহার জেলে। সেখানে ১০ লক্ষ টাকা জমা দিয়ে তবেই জেল থেকে ছাড়া পাবেন কেষ্ট। কাজেই আজই জেলমুক্তি হচ্ছে না। আগামীকালের জন্য অপেক্ষা করতে হবে তাঁকে।
তবে দুর্গাপুজোর আগেই তিনি ফিরতে চলেছেন বীরভূমে। ২০২২ সালের ১১ অগাস্ট গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলকে। তার পরের বছরে ২০২৩ সালে আবার অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলকেও গ্রেফতার করে ইডি। একাধিকবার তাঁদের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয়েছে। অনুব্রত মণ্ডলের দেহরক্ষীও বন্দি রয়েছেন তিহার জেলে।
বীরভূমে গ্রেফতারির পরে প্রথমে আসানসোল সংশোধনাগারে রাখা হয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলকে। কিন্তু জেলে থেকে তদন্তে প্রভাবিত করছেন অনুব্রত মণ্ডল সেই সন্দেহে তাঁকে তিহার জেলে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রায় ২ বছর ৯দিন জেলবন্দি ছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। তাঁর গ্রেফতারির পরেও পাশে থেকেছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একাধিকবার প্রকাশ্য সমাবেশে তিনি অভিযোগ করেছিলেন অনৈতিক ভাবে কেষ্ট মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত জেলা সভাপতি পদ থেকে সরানো হয়নি অনুব্রত মণ্ডলকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সেখানকার কাজ দেখেন।












Click it and Unblock the Notifications