এ এক অন্য অনুব্রত, জেলে পাঠাবেন দলের সভাপতিদেরই! ‘খোল-করতাল’ বাজছে বেসুরো
এ এক অন্য অনুব্রত। এবার বিজেপি নয়, নিজের দলকেই দিলেন হুশিয়ারি। তাও আবার যে সে হুঁশিয়ারি নয়, একেবারে জেলা খাটানোর হুমকিও তার সঙ্গে দিয়ে রাখলেন তিনি।
এ এক অন্য অনুব্রত। এবার বিজেপি নয়, নিজের দলকেই দিলেন হুশিয়ারি। তাও আবার যে সে হুঁশিয়ারি নয়, একেবারে জেলা খাটানোর হুমকিও তার সঙ্গে দিয়ে রাখলেন তিনি। তাই সাধু, সাবধান। আর কোনও গন্ডগোল নয়। বীরভূমের 'বেতাজ বাদশা' অনুব্রত মণ্ডল এখন খোল-করতাল সহযোগে হরিনামের স্মরণ নিয়েছেন। তাই বোর্ড গঠনে গন্ডগোল? নৈব নৈব চ।

অনুব্রত মণ্ডল সোজাসাপ্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন। পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন নিয়ে গন্ডগোল করলে, জেল কাটিয়ে ছাড়বেন অঞ্চল প্রেসিডেন্টকে। আর ব্লক প্রেসিডেন্টকে সাসপেন্ড করবেন। কোনও গন্ডগোলের দায় আর তিনি নেবেন না, সাফ জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রিয় কেষ্ট। এবার থেকে যাবতীয় দায় নিতে হবে ব্লক ও অঞ্চল নেতৃত্বকেই।
কোনও রাখঢাক না রেখে, খোলাখুলি সাংবাদিক বৈঠকেই তিনি তাঁর নিদান দিয়ে দিলেন। বোর্ড গঠনে বিশৃঙ্খলা করেছ কি, স্থান হবে শ্রীঘরে। উল্লেখ্য, বীরভূমের বেশিরভাগ গ্রাম পঞ্চায়েতেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল। তাই বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে দলের অন্দরেই। কে হবেন প্রধান, কে উপপ্রধান- তা নিয়েই দলের অন্দরে খামচাখামচি চলছে। এই অবস্থায় কড়া হলেন অনুব্রত।
এদিকে অনুব্রত মণ্ডল দাবি করেছেন, মল্লারপুর ও গণপুর পঞ্চায়েতের জয়ী বিজেপি সদস্যরা তৃণমূলে যোগ দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। তবে তৃণমূবের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের আগে আর কাউকে দলে নেওয়া হবে না। আমরা লোকসভার পরে ভেবে দেখব, তাদের দলে নেওয়া যায় কি না।
এদিন বীরভূমের দুবরাজপুর, রাজনগর, নলহাটি এক নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনের কাজ চলছে। প্রতিটি পঞ্চায়েতেই জয়ী তৃণমূল কংগ্রেস। প্রায় সর্বত্রই প্রধান ও উপপ্রধান মনোননয়ন নিয়ে ক্ষোভ রয়েছে। সেই ক্ষোভ থেকে গন্ডগোলের আশঙ্কা রয়েছে। তাহলে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের খুল্লামখুল্লা চেহারাটা প্রকট হয়ে যাবে। তাই সাবধানী অনুব্রত কড়া হয়ে হুঁশিয়ারি ছাড়লেন। সাবধান করে দিলেন দলের প্রতিটি সদস্যকে।












Click it and Unblock the Notifications