‘হিট অফ দ্য মোমেন্টে’ দু-একটা হয় ‘স্লিপ অফ টাং’, সরল স্বীকারোক্তি অনুব্রতর
চোখা চোখা ডায়লগ আর গরম গরম হুঙ্কারে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। কথার রাজনীতিতে বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি শিরোনামে উঠে এসেছেন বিতর্কিত মন্তব্য করে।
চোখা চোখা ডায়লগ আর গরম গরম হুঙ্কারে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। কথার রাজনীতিতে বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি শিরোনামে উঠে এসেছেন বিতর্কিত মন্তব্য করে। 'দিদি'র কাছেও ধমক খেতে হয়েছে। কিন্তু নিজেকে বদলাতে পারেননি তিনি। এখনও তিনি বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন। তবে তার কারণ এতদিনে স্পষ্ট করলেন অনুব্রত।

‘হিট অফ দ্য মোমেন্টে’
তিনি যে বিতর্কিত মন্তব্য করেন, তা নির্দ্বিধায় স্বীকার করে নিলেন অনুব্রত। বললেন, আমি বলে ফেলি। কিন্তু পরে কষ্ট পাই। আসলে হিট অফ দ্য মোমেন্টে ঘটে যায়। যা বলি, তা আদতে স্লিপ অফ টাং। আমি বলতে চাই না। আমার স্ত্রী-মেয়ে যখন বলে আমি আবার খারাপ মন্তব্য করেছি, তক খুব কষ্ট পাই।

দিদিও বকা দেন কেষ্টকে
শুধু স্ত্রী-মেয়েই নয়, তাঁর এই স্লিপ অফ টাংয়ের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বকাঝকা করেন অনুব্রত মণ্ডলকে। তিনি বলেন, একদিন আমি এক বিতর্কিত মন্তব্য করেছি, আর দিদি আমাকে ফোন করে খুব বকা দিয়েছেন। বাড়িতে যেতে স্ত্রী-মেয়েও আমাকে বলছে কেন অমন কথা বললাম। আমার সঙ্গী-সাথীরা বলে দেন, বৌদি, আজ দাদাকে এ জন্য বকেছেন দিদি। তখন তাঁরাও খুশি হন।

দিদি আমাকে স্নেহও করেন খুব
দিদি শুধু বকেন না, স্নেহও করেন। তিনিই আমার অভিভাবক। সকালে উঠেই আমি জপ করি, মহাদেবের নামে জপ করি, আমার মাকে প্রণাম করি। আর প্রণাম জানাই দিদিকে। তারপর আমার দিন শুরু হয়। সব থেকে আমার পরিবারের মধ্যে মেয়েকে, রাজনীতিতে দিদিকে, আর দেবতার মধ্যে মহাদেবকে।

চেহারার আড়ালে অন্য মানুষ
চেহারার আড়ালে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি একেবারে অন্য মানুষ। তিনি শিব-ভক্ত। শিবের আরাধনা করেন। অসম্ভব ঠাকুর বিশ্বাস করেন। নিজের নামে বেলপাতা চাপান, আবার দিদির নামেও প্রতিদিন বেলপাতা চাপান শিবের মাথায়। শিব-দুর্গা-কালী আরাধনার সঙ্গে সঙ্গে রাজনীতিও করেন। গুরুগম্ভীর মুখ হলেও, তার মধ্যে যে সারল্য রয়েছে, তা বেশ বোঝা যায় তাঁর কথায়।












Click it and Unblock the Notifications