সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দুর্গাপুরে, সংখ্যালঘুর উদ্যোগে গ্রামে দুর্গাপুজো!
প্রতিবছরের মতো এবছরও দুর্গাপুরের ফরিদপুর ব্লকের তিলাবনী গ্রামের দুর্গাপুজো নজর কেড়েছে সকলের। ২০২২ সালে এখানে পুজোর সূচনা। এই দুর্গাপুজো বিশেষত্ব গ্রামের বহু মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ সামিল হন উৎসবে। অর্থ সাহায্যের পাশাপাশি পুজোর তদারকিও করেন তাঁরা। তিলাবনী গ্রামের হিন্দু মুসলিম সম্প্রদায়ের সার্বজনীন এই দুর্গাপুজো সম্প্রীতির বার্তা রাখে।
দুর্গাপুজো মানেই, সকাল হলেই হালকা শিশিরের বিন্দু এবং ঠান্ডার আমেজ, পাশাপাশি যেদিকেই চোখ যায় শুধুই কাশবন। প্রকৃতি নতুনভাবে সেজে ওঠে জানান দেয় মা আসছেন। চারিদিকেই সাজো সাজো রব। দুর্গাপুজোর নিয়ে প্রস্তুতি তুঙ্গে পুজো কমিটিগুলির। তেমনি তৎপরতা দেখা যায় তিলাবনী গ্রামের পুজো। এই পুজো খনি অঞ্চলে একটি সম্প্রীতির নজির রাখে।

তিলাবনী গ্রামের একমাত্র সর্বজনীন দুর্গাপুজো এবার তৃতীয় বর্ষে পদার্পণ করল। পুজো কমিটির সহ-সভাপতি শেখ সাদেক জানান , "২০২২ সালে এখানে পুজোর সূচনা হয়। এই তিলাবনি গ্রামে রয়েছে ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও ৩০ শতাংশ হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ।" অন্যদিকে সম্পাদক বরুণ নায়ক জানান, এলাকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরাই গ্রামের আশেপাশের গ্রামেগুলোতে দুর্গাপুজো হচ্ছে অথচ তাদের গ্রামে হচ্ছে না, এই নিয়ে গ্রামের হিন্দুদের সঙ্গে আলোচনা করেন।"
এছাড়াও বরুণ বাবু বলেন, ২০২২ সাল থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরাই উদ্যোগী হয়ে পুজো শুরু করেন। আর তারপর থেকেই এই গ্রামের পুজোয় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরা অংশ নেন। দুর্গাপুরের ফরিদপুর ব্লকের তিলাবনী গ্রামের হিন্দু মুসলিম সম্প্রদায়ের সার্বজনীন এই দুর্গাপুজো সম্প্রীতির বার্তা রাখে।
পুজোর চারদিন চরম আনন্দে দিন কাটান গ্রামের লোকেরা। পুজো কমিটির সহ-সভাপতি শেখ সাদেক জানান, কোন রকম সরকারি সাহায্য ছাড়াই এই দুর্গাপুজো আয়োজন করা হয়। তবে তাঁরা আশাবাদী সরকারি সাহায্য পেলে আগামী বছর থেকে তাদের এই পুজোর গরিমা আরও বাড়বে।












Click it and Unblock the Notifications