চূড়ান্ত সময়সীমা দেওয়ার পরেই কড়া ব্যবস্থা! অনির্দিষ্টকালের ছুটিতে আমতা থানার ওসি
আনিস-কান্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়! ছুটিতে পাঠানো হল আমতা থানার ওসি দেবব্রত চক্রবর্তীকে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয় আমতা থানা। এমনকি আনিস খানের বাবা এবং প্রতিবেশীরা পর্যন্ত এদিন আমতা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান।
আনিস-কান্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়! ছুটিতে পাঠানো হল আমতা থানার ওসি দেবব্রত চক্রবর্তীকে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয় আমতা থানা। এমনকি আনিস খানের বাবা এবং প্রতিবেশীরা পর্যন্ত এদিন আমতা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। এমনকি ঘটনায় ওসি'কে গ্রেফতারের দাবিতে সরব হন তাঁরা।

এই বিষয়ে রবিবার পর্যন্ত চূড়ান্ত সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়। আর এরপরেও সন্ধ্যায় সরিয়ে দেওয়া হল আমতা থানার ওসিকে। অনির্দিষ্টকালের জন্য তাঁকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে বিচারবিভাগীয় তদন্তও শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে আমতা থানার নতুন ওসি হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কিঙ্কর মণ্ডলকে। আমতা থানার সাব ইনস্পেক্টর হিসাবে কাজ করেছেন তিনি। তিনি ভালোভাবে পুরো এলাকা চেনেন। তাঁকেই ওই থানার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যদিও ওই পুলিশ আধিকারিক বর্তমানে হাওড়া গ্রামীণের স্পেশ্যাল অপারেশনের ওসির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। জানা যাচ্ছে, আজ বৃহস্পতিবারই তাঁকে দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য আনিসের মৃত্যুর ঘটনার বেশ কয়েকদিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়নি। ফলে ফুঁসছে গোটা এলাকা। যদিও এই অবস্থায় সিট গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে। কিন্তু আনিসের পরিবার পরিস্কার ভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে সিটে তাঁদের কোনও আস্থা নেই। সিবিআই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।
যদিও রাজ্য পুলিশের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, তাঁরা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করছে। তাঁদের তদন্তে ভরসা রাখারও আবেদন রাখা হয়।
যদিও এই অবস্থায় আনিস-কাণ্ডে হোমগার্ড কাশীনাথ বেরা এবং সিভিক ভলান্টিয়ার প্রীতম ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ তাঁরাও দাবি করেছেন যে, ওসি' নির্দেশেই নাকি তাঁরা আনিসের বাড়ি গিয়েছিল। এমনকি তাঁদেরকে ফাঁসানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ দুই পুলিশ কর্মীর।
আর এরপরেই ওসির গ্রেফতারের দাবি আরও বেশি করে উঠতে থাকে। এমনকি আমতা থানার ওসির বিরুদ্ধে কোনও ব্বস্থা না নেওয়া হলে নবান্ন অভিযানের ডাক দেন আনিসের পরিবার।
অন্যদিকে জানা গিয়েছে এদিন ভবানী ভবনে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মীকে ডেকে পাঠানো হয়। তাঁদেরকে দফায় দফায় জেরা করা হয়। বেশ কিছু নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদেরকে জেরা করা হয়। আর দিনের শেষে আমতা থানার ওসিকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি জানা যাচ্ছে, আনিসের মৃতদেহ দ্বিতীয়বারের জন্যে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পর তাঁর কবরস্থানে পর্যাপ্ত নিরাপ্পত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications