Kunal Ghosh: অমিত শাহের সভা ফ্লপ, তাই বিজেপি বিধায়করা হাত- পা ছুঁড়ছেন, কটাক্ষ কুণালের
একদিকে রাজ্যের বিভিন্ন অংশে সকাল থেকে সিবিআই হানা। অন্য দিকে বিধানসভায় বিজেপি বিধায়কদের স্লোগান। রীতিমতো উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এদিকে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস আসরে নেমে পড়েছে। ধর্মতলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সভা ছিল। সেই সভা রীতিমতো ফ্লপ করেছে বলে দাবি তৃণমূল কংগ্রেসের। তারপরেই এইসব শুরু হয়েছে বিজেপি।
তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন নেতৃত্ব। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ রীতিমতো বিজেপিকে আক্রমণ করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিজেপির সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন। সেই বক্তব্যে তেমন কোনও উল্লেখযোগ্য দিক ছিল না। সভা চূড়ান্ত ফ্লপ হয়েছে। কারণ, অধিক সংখ্যা মানুষ উপস্থিত হননি ওই সভায়। ঢাক, ঢোল পিটিয়েও বিজেপি তেমন কিছু প্রচার করতে পারেনি।

সেই কারণে পরের দিন মাঠে নেমে পড়েছেন বিজেপি বিধায়করা। বিধানসভায় গিয়ে বিধায়করা হাত-পা ছুঁড়তে শুরু করেছেন। অসংবিধানিক আচরণ করছেন বিধানসভায়। এমনই দাবি করেছেন কুণাল। শুধু তাই নয়, বিজেপির গণসংগঠন হল সিবিআই। তাকেও মাঠে নামানো হয়েছে। সে কারণেই বৃহস্পতিবার কলকাতা ও জেলার বিভিন্ন অংশের তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেসকে এভাবে আটকানো যাবে না। বিজেপি ক্রমেই শক্তি হারাচ্ছে। এইভাবে কখনওই নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব নয়। এমন মনে করছে তৃণমূল নেতৃত্ব। রাজ্যের মন্ত্রী ববি হাকিমও একই বক্তব্য রেখেছেন। বিজেপির সেই ক্ষমতা নেই। যত আটকানো হবে, তত তৃণমূল শক্তিশালী হবে।
ফিরহাদ হাকিমের কথায়, বিজেপি এভাবে আমাদের সঙ্গে লড়তে পারবে না। এজেন্সি, পুলিশ এগুলো দিয়ে লড়াই করা যায় না। লড়াই হয় মানুষের সংগঠন এবং মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ দিয়ে। ওদের শুধু মেরে দেব। ভেঙে দেব। জেলে ঢুকিয়ে দেব। এসব দিয়ে সংগঠন হয় না। পায়ের তলায় মাটি পাওয়া যায় না। যত আমরা আক্রান্ত হব। তত মানুষের হৃদয়ে আমরা জায়গা পাব।
বিধানসভা এদিনও উত্তাল ছিল। তৃণমূল, বিজেপি যুযুধান দুইপক্ষ। যত লোকসভা নির্বাচন এগোবে, ততই উত্তাপ বাড়বে রাজ্য রাজনীতির। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।












Click it and Unblock the Notifications