Amit Shah: অমিত শাহরা শহরে, তার মধ্যেই বিজেপির নেতৃত্ব নিয়ে কোন্দল প্রকাশ্যে! কোথায়?
দলীয় কোন্দল কিছুতেই কমাতে পারছে না রাজ্য বিজেপি। বিভিন্ন জায়গাতেই মণ্ডল, স্থানীয় নেতৃত্বদের নিয়ে ক্ষোভ সামনে আসছে। রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্ব ভারতীয় সম্পাদক জেপি নাড্ডা রয়েছেন। কিন্তু জেলায় বিজেপির কোন্দল চলছেই।
দুয়ারে কড়া নাড়ছে লোকসভা ভোট। তারই প্রস্তুতি নিতে শহরে অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা। সেদিনই বাঁকুড়ার বড়জোড়া ব্লক এলাকায় বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে এল। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে দলের বড়জোড়া মণ্ডল-২ এর নব নির্বাচিত সভাপতিকে সরানোর দাবি উঠেছে। সরব হয়েছেন ওই এলাকার বিজেপি নেতা কর্মীদেরই একাংশ।

অতি সম্প্রতি বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার বিভিন্ন মণ্ডলের সভাপতি পদে রদবদল করা হয়েছে। ওই রদবদলে বড়জোড়া-২ মণ্ডল সভাপতি পদ থেকে গৌতম মণ্ডলকে সরিয়ে দেবজিৎ নাগকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আর এতেই সমস্যা বেড়েছে।
সদ্য 'প্রাক্তন' হয়েছেন ওই মণ্ডলের সভাপতি গৌতম মণ্ডল। তার নেতৃত্বে বৃন্দাবনপুর এলাকার বিজেপি নেতা কর্মীরা আন্দোলনে নেমেছেন। ঘটনাচক্রে বৃন্দাবনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে। দলের বর্তমান মণ্ডল সভাপতিকে সরানোর দাবিতে আন্দোলনে রয়েছেন ওই পঞ্চায়েতের উপপ্রধান রাজেশ বিশ্বাস।
বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীদের দাবি, তারা কেউ দলের বিরুদ্ধে নন। গত পঞ্চায়েত ভোটে দলের বিরুদ্ধে গিয়ে নির্দলকে সমর্থন করেছিলেন বর্তমান মণ্ডল সভাপতি। তাকেই এলাকায় দলের দায়িত্ব দেওয়া হল? এই মণ্ডল সভাপতিকে মেনে নেওয়া যাবে না। দেবজিৎ নাগকে দলের মণ্ডল সভাপতি করার পিছনে 'তৃণমূল ও পিকে গোষ্ঠী'র হাত রয়েছে। এমনই অভিযোগ বিক্ষুব্ধদের।
অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, বিজেপির অন্দরে ভাগ বাটোয়ারা নিয়েই সমস্যা তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। এই সুযোগে বিজেপির বিক্ষুব্ধদের তাদের দলে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূলের বড়জোড়া ব্লক সভাপতি কালীদাস মুখোপাধ্যায়।
বিজেপি কি এই অন্তর্কহল মেটাতে পারবে? শুধু বাঁকুড়া নয়, একাধিক জায়গাতেই পুরনো ও নতুন বিজেপি দ্বন্দ্ব উঠে এসেছে। লোকসভা ভোটের আগে এইসব গর্ত বোজাতে পারবে বিজেপি?












Click it and Unblock the Notifications